প্রধান আসামির জামিন চাইতে এসে ধরা পড়লেন অপর আসামি


প্রকাশিত: ০১:২৫ পিএম, ০৩ মে ২০১৭
প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জে একটি মামলায় জামিনে থাকা আসামির পক্ষে প্রক্সি দিতে এসে আব্দুস সালাম নামের অপর এক আসামি গ্রেফতার হয়েছেন। প্রধান আসামির পক্ষে জামিন চাইতে গেলে তাকে গ্রেফতারের আদেশ দেন আদালত।

বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ন কবিরের আদালতে হাজির হয়ে মামলার প্রধান আসামি সামেদ আলী পরিচয়ে জামিন আবেদন করেন আ. সালাম। এ সময় বাদী পক্ষের আইনজীবী ও রাষ্ট্রপক্ষের কোর্ট সিএসআই সালামকে চিনে ফেলেন। বিষয়টি আদালতকে অবহিত করলে আদালত সালামকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।

গ্রেফতার আব্দুস সালাম ফতুল্লার বক্তাবলীর আকবরনগর গ্রামের সার্থক আলীর ছেলে। তিনি নিজ গ্রামের আলী হোসেনের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও হামলা ভাঙচুরের মামলার ২২ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি। সম্প্রতি তিনি আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন।

একই সময় এই মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি গনি মিয়া, ৫ নম্বর আসামি আরিফ ও ৩৫ নম্বর আসামি রাজ্জাকও আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাদের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা বন্ডে জামিন দিয়েছেন।

কোর্ট পুলিশের এসআই শওকত হোসেন ও বাদী পক্ষের আইনজীবী শাখাওয়াত হোসেন খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ফতুল্লার আকবর নগর গ্রামে ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ত্রাসী সামেদ আলীর নেতৃত্বে শতাধিক সন্ত্রাসী ব্যবসায়ী আলী হোসেনের বাড়িতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামলা চালায়।

এ সময় সন্ত্রাসীরা বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে ১০ জনকে টেঁটাবিদ্ধ করে আহত করা হয়। এ ঘটনায় আলী হোসেন বাদী হয়ে সামেদ আলী ও তার বাহিনীর ৫৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অর্ধশতাধিক অজ্ঞাত দেখিয়ে মামলা করেন। এ মামলায় ৫৩ জন জামিন নিয়েছেন।

আইনজীবী শাখাওয়াত হোসেন খান জানান, ওই হামলার দুইদিন পর পুলিশ সামেদ আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পাঁচ শতাধিক টেঁটা, বল্লম, রামদা উদ্ধার করেছে। ওই সন্ত্রাসীরা মামলা হওয়ার পরও এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করে।

মো: শাহাদাত হোসেন/এএম/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।