নারায়ণগঞ্জে সতীনের হাতে সতীন খুন


প্রকাশিত: ০৭:০৯ এএম, ০৭ মে ২০১৫

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্বামীর প্ররোচনায় সতীন লুৎফা বেগমকে (২৬) কুপিয়ে হত্যা করেছে আরেক সতীন। বৃহস্পতিবার সকালে বাবুলাইল তাতীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আকলিমাকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর পর স্বামী আব্দুল কাদির পালিয়ে যায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফতুল্লার ১নং বাবুরাইল তাতীপাড়া এলাকার শুক্কুর মিয়ার বাড়িতে আব্দুল কাদির ছোট বউ লুৎফাকে নিয়ে বাস করতেন। দুই বছর আগে আব্দুল কাদির লুৎফাকে সন্তানসহ বিয়ে করে। দুই স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করতে সমস্যা হওয়ায় তিনি তাদের আলাদা করে রাখেন। তারপরও তাদের মধ্যে প্রায় ঝগড়া লাগতো। এদিকে কাদির বিয়ে করার সময় লুৎফা’র কাছ থেকে নগদ ৪০হাজার টাকা নিয়েছিল। সেই টাকা চাওয়ার কারণে পরিকল্পিতভাবে লুৎফাকে হত্যা করা হয়।   

পরিবারের বরাত দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাহিদ আহমেদ জানান, আবদুল কাদিরের ২য় বিয়ের পর থেকেই পরিবারে কলহ দেখা দেয়। ২য় স্ত্রী লুৎফা বেগম স্বামী আবদুল কাদিরের সঙ্গে তাতীপাড়ার বাসা নিয়ে থাকলেও আকলিমা ভূইয়াপাড়া হোসাইনী নগরে অপর একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। লুৎফা’র পাওনা টাকা চাওয়ার জের ধরে তাদের মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়।
 
তিনি আরো জানান, আটককৃত আকলিমা স্বীকার করেছে যে লুৎফা বেগমের পাওনা টাকা চাওয়ায় কাদির ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। তারপর হতে লুৎফাকে হত্যার পরিকল্পনা করে কাদির ও আকলিমা। আর আকলিমার দুই সন্তানকে হত্যারও হুমকি দেয় কাদির। ওই কারণেই আকলিমা কৌশলে রাতে কাদিরের বাড়িতে এসে ছুরিকাঘাত ও কুপিয়ে লুৎফাকে হত্যা করে। তবে আবদুল কাদিরকে আটক করতে পারলে হত্যার আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে তিনি জানান।

মো.শাহাদাৎ হোসেন/এসএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।