পাখিই যখন সন্তান!


প্রকাশিত: ১০:৪৫ এএম, ১৪ মে ২০১৫

নিঃসস্তান দম্পতি রফিকুল ইসলাম খোকন ও পারভীন সুলতানার জীবনযাপনে পোষা পাখিই সন্তান না থাকার দুঃখ ভুলিয়ে রেখেছে। শখের বশে প্রায় দু’বছর আগে পাখি পালন শুরু করেছিলেন পারভীন সুলতানা। এখন তার প্রায় অর্ধশত পাখির খামার। তাও আবার বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির ঘুঘু পাখি। পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা পরিষদের পাশেই বসবাস রুবি ও খোকন দম্পতির।

পারভীন সুলতানা রুবি জানান, ২০১৩ সালে খুলনার হ্যালাতলা নামক স্থানের একটি পাখি বিক্রির দোকান থেকে ২ হাজার টাকা দিয়ে ৪টি ঘুঘু পাখি কেনেন। এখন তার খামারে ১৭ জোড়া (৩৪টি) ঘুঘু পাখি রয়েছে। এর মধ্যে দুই ঘুঘু দম্পতি বাচ্চা দিতে সহযোগিতা করে। নিঃসন্তান রুবি ঘুঘু পাখিগুলোকে সন্তানের মতো মমতা দিয়ে লালন-পালন করছেন। পাখিগুলোকে খেতে দেন কাওন ধান, গম, রুটি ও ভাত। মাংসের ঝোল মেশানো ভাত তাদের প্রিয় খাবার। নিজ বাসার একটি কক্ষে খাঁচার মধ্যে পালন করছেন ঘুঘু পাখি।

তিনি আরো জানান, ঘুঘুগুলো খাঁচায় ডিম পাড়ে এবং বাচ্চা ফোটায়। এভাবেই বেড়ে চলেছে তার খামার।

রুবি ও তার স্বামী রফিকুল ইসলাম জানান, ঘুঘুগুলো যখন তাদের আপন খেয়ালে নিজেদের মতো ডাকতে শুরু করে তখন তারাও সে ডাক মুগ্ধ হয়ে শোনেন। তাদের কাছে মনে হয়, ঘুঘুগুলো সন্তানের মতই কোলাহল করছে।

পারভীন সুলতানা বলেন, শখের বশে ঘুঘু পালন শুরু করলেও ভবিষ্যতে বাণিজ্যিকভাবে খামার করার ইচ্ছা আছে।

হাসান মামুন/এসএস/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।