সৌদিতে নিহত ফয়েজের বাড়িতে শোকের মাতম
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ফয়েজ আহমেদের গ্রামের বাড়িতে এখন চলছে শোকের মাতম। উপজেলার পূর্ব ষাটনল গ্রামের বেপারী বাড়িতে স্বজনদের কান্নায় ভারি হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা। এ গ্রামের মালুম বেপারীর ৬ সন্তানের মধ্যে ফয়েজ আহমেদ (৪৭) ছিলেন একমাত্র ছেলে।
দীর্ঘ ১২ বছর তিনি সৌদিতে অবস্থান করছেন। তবে মাঝে মাঝে ছুটিতে আসতেন। গত দু`মাস আগে ছুটি কাটিয়ে সৌদি আরব যান তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের বাড়িতে তার মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছলে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। ফয়েজ আহমেদের স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে। সন্তানরা তার বাবাকে হারিয়ে এখন চারদিকে অন্ধকার দেখছেন।
ফয়েজের দুই মেয়ে বিবাহিত। বড় মেয়ে তৃণা ও ছোট মেয়ে সিনথিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের বাবার মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছি। আমরা আর কিছুই চাই না। ফয়েজের স্ত্রী খোদেজা জাগো নিউজকে বলেন, আমার অহন কি অইবো, আমি কি করমু? আমি আমার স্বামীর মরদেহ চাই। বুধবার রাতে সৌদি আরবের দাম্মামে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ফয়েজ আহমেদ।
ফয়েজ আহমেদের মরদেহ বর্তমানে সৌদি আরবের আল হাসা হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। তিনি আল শরীফ ট্রেডিং কোম্পানির অধীনে ম্যাকডোলান্ড-এ পরিচ্ছন্ন কর্মী হিসেবে কাজ করতেন।
ইকরাম চৌধুরী/এমজেড/এমএস