কুড়িগ্রামে নদ-নদীতে বাড়ছে পানি, বন্যার আশঙ্কা


প্রকাশিত: ১০:২২ এএম, ০২ জুলাই ২০১৭

পাহাড়ি ঢল আর ভারি বষর্ণে ক্রমে কুড়িগ্রামের ১৬টি নদ-নদীতে পানি বাড়ছে। এতে করে নদ-নদীর তীরবর্তী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। পানি বাড়ার কারণে জেলার প্রায় সাড়ে চার শতাধিক চরাঞ্চলের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ার আশঙ্কায় ভুগছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, টানা বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রাম সদরে ৬১ মিলিমিটার এবং চিলমারী উপজেলায় ১০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। সেই সঙ্গে জেলার ছোট-বড় ১৬টি নদ-নদীতে পানি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ধরলা নদীর পানি ব্রিজ পয়েন্টে ২৫ দশমিক ২০ সে.মি., তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া রেল ব্রিজ পয়েন্টে ২৮ দশমিক ০৫ সে.মি., ব্রহ্মপুত্র নদের নুনখাওয়া পয়েন্টে ২৫ দশমিক ০৭ সে.মি. এবং ব্রহ্মপুত্র নদে চিলমারীর রমনা ঘাট পয়েন্টে ২২ দশমিক ৮৩ সে.মি. রোববার সকাল ৬টায় পরিমাপ করা হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলা নদীতে ৪৩ সে.মি., তিস্তা নদীতে ২৯ সে.মি., ব্রহ্মপুত্র নদের নুনখাওয়া পয়েন্টে ১২ সে.মি. এবং ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে ২৭ সে.মি. পানি বেড়েছে।

জেলা ত্রাণ শাখা সূত্রে জানা যায়, গত জুন মাসে রাজারহাট উপজেলায় তিস্তা নদীর ভাঙনে ৫০টি পরিবার এবং ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে রাজিবপুর উপজেলায় মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে ৪৯টি দোকান ঘর বিলীন হয়ে যায়।

বাড়ি-ঘর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রত্যক পরিবারকে দুই হাজার টাকা ও ৩০ কেজি করে চাল এবং দোকান ঘড় ক্ষতিগ্রস্তদের তিন হাজার টাকা এবং ৩ কেজি করে চাল দেয়া হয় বলে জেলা ত্রাণ শাখা সূত্রে জানা যায়।

নাজমুল হোসেন/এএম/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।