বগুড়ায় জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে দলিল সম্পাদনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ১১:০৩ এএম, ১৯ জুলাই ২০১৭

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে গোপনে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে দলিল সম্পাদন করার অভিযোগ উঠেছে। এতে সরকার পৌনে পাঁচ লাখ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে। 

এ ঘটনায় শিবগঞ্জ উপজেলা সাব রেজিস্টার কার্যালয়ের দলিল লেখক আজিজুল হক বুধবার উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি অভিযোগ করেছেন। 

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মো. শাহনেওয়াজ অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযোগে আজিজুল হক উল্লেখ করেন, গত ১৯ জুন উপজেলার পূর্ব জাহাঙ্গীরাবাদ গ্রামের মৃত লবানু প্রামাণিকের ছেলে টবু প্রামাণিক ওরফে মীর আলী তার প্রতিবেশী আব্দুস সামাদের ছেলে শহীদুল ইসলাম ও সাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী বেদেনা বিবির কাছে ২৮ শতক ধানি জমি বিক্রি করেন। যার দলিল নং- ৫৩২৮, জেএল নং- ৭১, পূর্ব জাহাঙ্গীরাবাদ মৌজার এমআরআর খতিয়ান নং -৩৮৩। বর্তমান ডিপি খতিয়ান নং-১২৯৭। খতিয়ানের সাবেক দাগ নং- ১২৪৩, নতুন দাগ নং- ৪২৪৪। দাগে শ্রেণি হলো ধানি জমি। 

আজিজুল হক জানান, ধানি জমি হিসেবে ২৮ শতকের সরকারি মূল্য দাঁড়ায় ছয় লাখ ৩৭ হাজার টাকা। কিন্তু রাজস্ব না দিয়ে জমির শ্রেণি ধানির পরিবর্তন করে পতিত দেখিয়ে রেজিস্ট্রি করানো হয় এক লাখ ৬৫ হাজার টাকায়। এতে করে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে চার লাখ ৭২ হাজার টাকা।

শিবগঞ্জ উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের সাব রেজিস্টার শামীমা পারভীন এ দলিলটি রেজিস্ট্রি করেন। 

অভিযোগকারী তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, মোটা অংকের টাকা উৎকোচ গ্রহণ করে সাব রেজিস্টার কম মূল্যে জমিটি রেজিস্টি করে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিতে সহায়তা করেছেন। এ কারণে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া উচিত। 

উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করে সাব রেজিস্টার শামীমা পারভীন বলেন, আমার কাছে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। 

লিমন বাসার/আরএআর/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।