যশোর জেলার সেরার মুকুট পুলিশ লাইন স্কুলের


প্রকাশিত: ০১:১৭ পিএম, ৩০ মে ২০১৫

সাফল্যের জোয়ারে আনন্দের বন্যা বয়ে চলেছে যশোর পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। এসএসসির ফলাফলে এবারও জেলার শীর্ষস্থানের তাকমাটা তাদের গলায়ই শোভা পাচ্ছে। আর সেই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বোর্ড সেরার তালিকার দ্বিতীয় স্থান। উৎসব তাই বাঁধ ভেঙ্গেছে পুলিশ লাইন স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টদের।

চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় যশোর পুলিশ লাইন স্কুল থেকে ৯০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এদের সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮১ জন। তাদের অর্জিত পয়েন্ট ৮৬ দশমিক ৩৮। এই ফলাফল স্কুলটিকে নিয়ে গেছে বোর্ডের ২য় ও জেলার সেরা অবস্থানে। গত বছরও স্কুলটি যশোর জেলায় প্রথম অবস্থানে ছিল। আর বোর্ডের তালিকায় ছিল শীর্ষ চতুর্থ স্থানে। গত বছর প্রতিষ্ঠানটির ৮৯ জন পরীক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছিল। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৮২ জন। আর ২০১৩ সালে এই স্কুলটি বোর্ড সেরার তালিকায় ৭ম স্থানে ছিল।

এদিকে, স্কুলের এই কৃতিত্বপূর্ণ ফলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর স্কুল ক্যাম্পাসে আনন্দের বন্যা বয়ে চলেছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা একে অপরের মিষ্টি মুখ করিয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করেন। আনন্দের জোয়ারে ভাসতে শুরু করে গোটা স্কুল প্রাঙ্গন। তবে আগামিতে আরো ভালো ফলাফল করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, ৯০ জন পরীক্ষার্থীর শতভাগ পাস করে জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের স্থান দখল করেছে তারা। এরমধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮১জন। বিজ্ঞান বিভাগের ৭৮জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। মানবিক বিভাগের ৪ জনের সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। আর বাণিজ্য বিভাগের ৮ জনের সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত রাহিদুল ইসলাম জানায়, শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা ও নিজের প্রচেষ্টায় ভালো ফলাফল সম্ভব হয়েছে। এই ফলাফলে সে অনেক খুশি। ভবিষ্যতে এ সাফল্যের ধারা অব্যহত রাখার প্রত্যয় তার।

মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত উম্মে আম্মারা ও বাণিজ্য বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ফারজানা রহমান জানায়, স্কুলে রুটিন মেনে পাঠদান ও শিক্ষকদের দিক নির্দেশনায় ভালো ফলাফল হয়েছে।

পুলিশ লাইন স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ জানান, স্কুলের শৃঙ্খলা ভালো। নিয়মিত পাঠদান হয়েছে। ক্লাসে শিক্ষার্থী উপস্থিতি ভালো ছিল। স্কুলে শিক্ষার্থীদের মনিটরিং করে দুর্বল শিক্ষার্থীদের বিশেষ ক্লাস এবং সবার জন্য বাড়তি কোচিং ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। ভালো ফলাফলের জন্য অভিভাবকদের আরো বেশি আন্তরিকতা দরকার বলেও জানান তিনি।

মিলন রহমান/এআরএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।