অদম্য মেধাবী : মিষ্টি কেনার টাকা নেই শফিকুলের পরিবারের


প্রকাশিত: ০৯:৩৮ এএম, ৩১ মে ২০১৫

শরীয়তপুর সদর উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের খান পাড়া গ্রামের মজিবুর রহমান খান বাদাম বিক্রি করতেন। অভাবের সংসারে বাদাম বিক্রি করে তিনি সংসার চালিয়ে ২ মেয়ে ও ১ ছেলেকে লেখাপড়া করাতেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে এখন বাড়িতেই আছেন। অসুস্থ হওয়ার পর থেকে অভাবের সংসারে হাল ধরে ছেলে মো. শফিকুল ইলাম খান।

শফিকুল কৃষি কাজ করে সংসার চালিয়ে নিজে পড়াশোনা করে ২ বোনকে পড়াশোনা করাতো। বড় বোন শারমিন আক্তার মাহমুদপুর বি এম আইডিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী, ছোট বোন সানিয়া আক্তার মাহমুদপুর খান পাড়া দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ও মা গৃহিণী।

মো. শফিকুল ইসলাম খান এবার মাহমুদপুর খান পাড়া মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। শফিকুলের এই ভালো ফল জেনেও কেন যেন হাসি নেই বাবা-মার মুখে। কারণ একটাই, অভাব। সামনে আরো অনেক পথ হাটতে হবে শফিকুলের। এই ভেবে আনন্দ যেন তাদের স্পর্শ করতে পারছে না। ভালো ফল করে শফিকুলের স্বপ্ন সে ব্যাংকার হতে চায়।

জিপিএ-৫ পাওয়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়ে শফিকুল। তার ইচ্ছে ছিল পাস করে সবাইকে মিষ্টি খাওয়াবে। কিন্তু, মিষ্টি খাওয়ানোর টাকাটাও তার কাছে ছিল না।

শফিকুল ইসলাম খানের স্বপ্ন পূরণে দেশের হৃদয়বান ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসবেন এমন ভাবনা শিক্ষক ও তার বাবা-মার।

মো. ছগির হোসেন/এমজেড/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।