ব্রোকেন রাইস আমদানি করে বিপাকে যশোরের ব্যবসায়ীরা


প্রকাশিত: ০২:১৬ এএম, ০৭ জুন ২০১৫

ভারত থেকে ব্রোকেন রাইস আমদানি করে বিপাকে পড়েছেন বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী। শুল্ক জটিলতার কারণে তারা বন্দর থেকে ওই চাল ছাড় করাতে পারছেন না।

ব্যবসায়ীরা জানান, এতে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। যশোরের নাভারনের আমদানিকারক মেসার্স আলবার ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারি আব্দুল্লাহ আল কাফি জানান, প্রায় ২ সপ্তাহ আগে তিনিসহ ৫ জন ব্যবসায়ী ভারত থেকে ব্রোকেন রাইস (পোল্ট্রি ফিড) আমদানি করেন। এই চাল (যা খুদ হিসেবে পরিচিত) আমদানির ক্ষেত্রে আগে কোনো শুল্ক দিতে হতো না। কিন্তু, রাজস্ব বোর্ড সম্প্রতি ভালো চাল আমদানির উপর ১০ ভাগ শুল্ক আরোপ করে। এরপর থেকে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আমদানিকদের কাছ থেকে ব্রোকেন রাইচ থেকেও শুল্ক আদায় করার চেষ্টা করছেন। যা ন্যায়-নীতির পরিপন্থি।

আমদানি করা প্রতি টন ভালো চাল বর্তমানে ৩৯০ ডলার মূল্যে ছাড় করানো হচ্ছে। সেখানে ব্রোকেন রাইস ছাড় করার জন্য আমরা ৩১০ ডলার পর্যন্ত দিতে রাজি হই। কাস্টসম কর্তৃপক্ষ তা মেনেও নেন। কিন্তু, তারপরও তাদের পণ্য চালান ছাড় দেয়া হচ্ছেনা। এ অবস্থায় বন্দরে ভারতীয় ট্রাক আটকে থাকায় আমাদের প্রতিদিন ১২শ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত ডেমারেজ দিতে হচ্ছে। এর বাইরে বন্দরে দিনের পর দিন আমদানি করা পণ্য পড়ে থাকায় তাদেরকেও দিনপ্রতি অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে। এ অবস্থায় তারা বেশ বিপাকে পড়েছেন।

তিনি আরো জানান, ক্ষতি এড়াতে আমদানিকৃত ব্রোকেন রাইসের ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেয়ার জন্য বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বেনাপোল কাস্টমসের কমিশনার এ এফ এম আব্দুল্লাহ খান জানান, শুল্ক আদায় নিয়ে কিছুটা জটিলতা হওয়ায় আমদানিকৃত ব্রোকেন রাইসের কোনো চালানই ছাড় দেয়া হয়নি। তবে এ ব্যাপারে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

মিলন রহমান/এমএএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।