প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন মির্জা আব্বাস

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ১০:১১ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকলে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি অনেক আগেই কন্ট্রোল করা যেতো। শহীদ জিয়াউর রহমানের আমলেও রোহিঙ্গা পরিস্থিতি কন্ট্রোল করা গিয়েছিল কূটনৈতিক তৎপরতায়।

তিনি বলেন, এক চুক্তির মাধ্যমে দুই লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছিল। খালেদা সরকার আমলেও কূটনৈতিক তৎপরতায় কয়েক দফা শরণার্থী হয়ে আসা রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানো গিয়েছিল। তারপর আর কোনো সরকার এই কার্যক্রম এগিয়ে নিতে পারেনি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ নিয়ে আসা বিএনপির প্রতিনিধি দলের এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। এই দলটি বুধবার উখিয়া ও টেকনাফে নতুন করে শরণার্থী হয়ে রোহিঙ্গাদের মাঝে বিএনপির পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করবেন।

মির্জা আব্বাস সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সরকার চাইলে কূটনৈতিক তৎপরতায় অনেক আগেই রোহিঙ্গা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারতো। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে। অথচ বিএনপি রোহিঙ্গাদের উপর মিয়ানমার বাহিনীর নির্যাতন শুরু হওয়ার পর থেকেই এ ব্যাপারে সোচ্চার হয়েছে। তবে সরকারের বোধ হয়েছে অনেক পরে।

তার মতে, বাংলাদেশ সরকারের গর্জনটা বাংলাদেশের মতো ছিল না। বাংলাদেশের মতো গর্জন দিতে পারলে এভাবে রোহিঙ্গা নির্যাতন হতো না। আমরা এখানে ত্রাণ দিতে এসেছি। রাজনীতি করতে আসিনি।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে অভিনন্দন জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপি ঢাকায় বসে গর্জন করার যে অভিযোগ সরকার করছে তা সত্য নয়। বরং বিএনপি অনেক আগেই শরণার্থী শিবিরগুলোতে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। অথচ সরকার প্রধান অনেক পরে কক্সবাজার এসেছেন।

কক্সবাজার শহরের একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান, দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ও ডা. একেএম জাহিদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান কাজল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না ও দফতর সম্পাদক ইউসুফ বদরী প্রমুখ।

সায়ীদ আলমগীর/এএম/এমএস