সাবেক এমপি মসিউরের সর্বোচ্চ শাস্তি চায় দুদক

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি যশোর
প্রকাশিত: ১২:৫৮ পিএম, ১৬ অক্টোবর ২০১৭

ঝিনাইদহ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মসিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সিরাজুল ইসলাম ও আসামিপক্ষের আইনজীবী শরিফুল ইসলাম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। সোমবার যশোরের স্পেশাল জজ আদালতে দুপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর আগামী ২৫ অক্টোবর রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

দুদকের আইনে তথ্য গোপনের অপরাধে তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছর সাজা ও জরিমানার বিধান রয়েছে। সে হিসেবে দুদক আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বলে জানান পিপি সিরাজুল ইসলাম।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন প্রায় ১০ কোটি ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৩৩০ টাকার সম্পদ অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগে ২০০৮ সালের ১৪ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুষ্টিয়ার তৎকালীন সহকারী পরিচালক মোশারফ হোসেন মৃধা মামলা করেন।

২০০৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলাটি তদন্ত শেষে মো. মসিউর রহমানকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে যশোরের উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন। যার নম্বর ৩৮৮। ২০০৯ সালের শেষের দিকে ঝিনাইদহ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত মামলাটি আমলে নেন। আমলযোগ্য মামলাটির বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে প্রসিডিং কোয়াসমেন্টের জন্য আবেদন করেন মো. মসিউর রহমান।

এদিকে, ১৬ অক্টোবর দুই পক্ষের আইনজীবীর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হয়েছে। আদালত আগামী ২৫ অক্টোবর মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

জানতে চাইলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) যশোরের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার দুই পক্ষ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। এরপর আদালত মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

মিলন রহমান/এমএএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।