পায়ুপথে লাঠি ঢুকিয়ে ঘোড়া হত্যা
রাজবাড়ী সদর উপজেলার বানিবহ ইউনিয়নে পায়ুপথে বাঁশের লাঠি ঢুকিয়ে একটি ঘোড়াকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ঘোড়াটি স্থানীয় ওমর আলী নামের এক ব্যক্তির সংসার চালানোর একমাত্র আয়ের উৎস ছিল।
ঘোড়াটিকে এমন নৃশংসভাবে হত্যা করায় পরিবারটি এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তাই ঘোড়া হত্যাকারীদের খুঁজে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতি পূরণ দাবি করেছেন পরিবারটি।
শনিবার দুপুর ২টার দিকে বানিবহ ইউনিয়নের বিচাত্রা গ্রামের আটদাপুনিয়া স্কুল মাঠে গিয়ে দেখা যায় ঘোড়াটির মরদেহ পড়ে রয়েছে। পড়ে ঘোড়ার মালিক ও প্রতিবেশীরা ঘোড়াটিকে মাটি দেয়ার জন্য বাড়িতে নিয়ে যায়।

জানা গেছে, জেলা সদরের বানিবহ ইউনিয়নের বিচাত্রা এলাকার ওমর আলীর ঘোড়াটিসহ শুক্রবার রাতে আটদাপুনিয়া স্কুল মাঠে তিনটি ঘোড়া বেঁধে রেখেছিলেন। কিন্তু শনিবার ভোরে তিনটি ঘোড়া মধ্যে কে বা কারা ওমর আলীর ঘোড়ার পা বেঁধে পায়ু পথে বাঁশের লাঠি ঢুকিয়ে হত্যা করেছে। পড়ে বিষয়টি জানাজানি হলে ঘোড়ার মালিক থানায় একটি সাধারণ অভিযোগ করেছেন।
প্রতিবেশী আব্দুল কাদের মন্ডল বলেন, রাতে তার ঘোড়াসহ তিনটি ঘোড়া মাঠে বাঁধা ছিল। কিন্ত সকালে এসে দেখেন ওমর আলীর ঘোড়াটিকে হাত-পা বেঁধে কে বা করা হত্যা করছে।
আরেক প্রতিবেশী বলেন, সকালে মসজিদে নামাজ পড়তে যাবার সময় দেখেন মাঠের মধ্যে একটি ঘোড়া ছটফট করছে। দ্রুত তারা এসে দেখেন ঘোড়ার হাত-পা বাঁধা এবং পায়ুপথে বাঁশের লাঠি ঢুকানো। এসময় তারা ঘোড়ার বাঁধন খুলাসহ লাঠি বের করলে কিছু সময় পর ঘোড়াটি মারা যায়।

ঘোড়ার মালিক ওমর আলী বলেন, এ ঘোড়ার আয় দিয়েই আমার সংসার চলতো। তিনি পুলিশ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে জানিয়েছেন এবং ঘোড়া হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
বানিবহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ গোলাম মোস্তফা বাচ্চু বলেন, এটি অত্যন্ত ন্যাক্কার ও দুঃখজনক ঘটনা। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তির দাবি জানান।
রুবেলুর রহমান/এমএএস/জেআইএম