পাটুরিয়ায় নদী খনন উদ্বোধন ৫ নভেম্বর

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মানিকগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৮:১৩ এএম, ০১ নভেম্বর ২০১৭

দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের’ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এ প্রকল্পের ভারি মালামাল নৌ-পথে পৌঁছতে মংলা বন্দর থেকে পাকশি হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পর্যন্ত ৪শ ৬০ কিলোমিটার এলাকার নদী খননের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী মো. শাজাহান খান আগামী ৫ নভেম্বর (রোববার) মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় নদী খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ার কমডোর মোজাম্মেল হকসহ সংশ্লিষ্টসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নৌ-পথে মালামাল পৌঁছতে মংলা ও চিটাগাং বন্দর থেকে দুটি রাস্তা ব্যবহার করা হচ্ছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সহায়তায় ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রূপপুর রুটে নদী খনন কাজ শুরু হয়েছে।

মংলা বন্দর থেকে পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পর্যন্ত নেয়া হয়েছে আরেকটি প্রকল্প। যার নাম দেয়া হয়েছে ‘মংলা বন্দর হতে চাঁদপুর-মাওয়া-গোয়ালন্দ হয়ে পাকশী পর্যন্ত নৌরুটের নাব্যতা উন্নয়ন।’

বিআডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিউল্লাহ জাগো নিউজকে জানান, মংলা বন্দর থেকে পাকশী ব্রিজ পর্যন্ত নৌ-পথের দুরত্ব ৪৬০ কিলোমিটার এলাকা। এ নৌ-পথের যেসব স্থানে নাব্যতা সংকট রয়েছে সেখানেই খনন করা হবে। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ৯৫৬ কোটি টাকা ব্যায়ে খনন কাজ বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী। ৫টি কোম্পানির ১৫টি ড্রেজার খনন কাজে নিয়োজিত থাকবে। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছর।

তিনি জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়নকারী রাশিয়ান প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করেই খনন প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়। প্রকল্প এলাকায় ভারি ইকুপমেন্ট পৌঁছতেই সরকার নৌ-পথ খননের উদ্যোগ নেয়। নৌ-পথটির প্রশস্ত হবে ১২০ ফিট এবং গভীরতা ৪ মিটার।

রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলার রূপপুর এলাকায় পদ্মার পাড়ে দেশের সবচেয়ে বড় ও ব্যয়বহুল এ বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে।

বি.এম খোরশেদ/এফএ/আইআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।