মহেশখালীতে চেয়ারম্যানসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা


প্রকাশিত: ০৬:৫৯ এএম, ৩০ জুন ২০১৫

কক্সবাজারের মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মীর কাশেমসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে সোমবার মামলাটি দায়ের করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কালারমারছড়ার দক্ষিণ ঝাপুয়া এলাকার মৃত নজির আহমদের ছেলে ফরিদুল আলম সোনাইয়্যাকে হত্যার অভিযোগ তুলে মামলাটি দায়ের করেছে নিহতের ছোট ভাই মো. হানিফ।

মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, ১৮ জুন রাতে ফরিদুল আলম সোনাইয়্যা পাশ্ববর্তী বদরখালীস্ত নানাবাড়ি থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। কালারমারছরার চালিয়াতলী নয়াঘোনা এলাকায় পৌঁছালে ইউপি চেয়ারম্যান মীর কাশেমের নিয়ন্ত্রণাধীন সিরাজউল্লাহ বাহিনীর সদস্যরা তার গতিরোধ করে। কিছু বুঝে উঠার আগেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং গুলি করে তার মৃত্যু নিশ্চিত তারা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরিদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সোনাইয়্যার মরদেহ উদ্ধার করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়, এসআই ফরিদ তার দায়ের করা মামলার এজাহারে সোনাইয়্যার সাথে মীর কাশেম নিয়ন্ত্রিত সিরাজউল্লাহ-খোরশেদ বাহিনীর সাথে দ্বন্দ্ব ছিল উল্লেখ করলেও আসামিদের অজ্ঞাত দেখিয়েছেন। এছাড়া নিহত সোনাইয়্যার শরীরে ধারালো অস্ত্রের কোপের চিহ্ন থাকলেও সুরতহাল রিপোর্টে তা উল্লেখ করা হয়নি। এ কারণে আসামি সনাক্ত করে আসল ঘটনা প্রশাসনের সামনে আনতে কোপের চিহ্নের স্থির চিত্রসহ আদালতে এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ সেলিম জানান, আমরা নিহতের পরিবারকে সঠিক বিচার পাইয়ে দিতে যা করণীয় তা উল্লেখ করে ঘটনা থেকে গোপন বিষয়গুলো আদালতের দৃষ্টিগোচর করাতে সক্ষম হয়েছি। তাই আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে মহেশখালী থানাকে তদন্তপূর্বক উল্লিখিত অভিযোগ পুলিশের মামলার সাথে একীভূত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

সায়ীদ আলমগীর/এসএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।