ঘরে স্ত্রী রেখে বিয়ে করতে এসে বিপাকে স্যানিটারি কর্মকর্তা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী
প্রকাশিত: ০৩:২১ পিএম, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭ | আপডেট: ০৪:২৪ পিএম, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭
ঘরে স্ত্রী রেখে বিয়ে করতে এসে বিপাকে স্যানিটারি কর্মকর্তা

নীলফামারীর ডিমলায় লাললমরিহাট জেলার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর হামিদার রহমানকে (৪০) আটকের ঘটনায় জেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

প্রথম স্ত্রী থাকার পরও প্রেমের সূত্রে ডিমলা সদর ইউনিয়নে বিয়ে করতে আসলে এলাকার লোকজন প্রতারক হামিদারকে আটক করে। আটকের পর একটি মহলকে ৫ লাখ টাকা দিয়ে রফাদফারও অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিভিন্ন মাধ্যমে ঘটনাটি ফাঁস হলে এলাকাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।

জানা যায়, সোমবার বিকেলে ঘটক নিয়ে ডিমলা সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য সনদ্দি মামুদের ডিমলা ইসলামীয়া কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে বিয়ে করতে আসেন হামিদার। বিয়েতে পরিবাররের লোকজন না আসায় বিষয়টি সন্দেহ হলে তাকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডিমলা থানার এসআই আব্দুল রহিম ও এসআই শাহ সুলতান আটক হামিদারকে উদ্ধার করতে গেলে একটি প্রভাবশালী মহল পুলিশের সামনেই হামিদারকে জোর করে নিয়ে যায়। পরে রাতে ৫ লাখ টাকায় মিমাংসা শেষে মুচলেখা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়।

ডিমলা থানার এসআই আব্দুর রহিম বলেন, হামিদার রহমানকে আটকের সংবাদ শুনে সেখানে গেলে স্থানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে আপোষ মিমাংসা করে থানায় কাগজপত্র জমা দিয়েছে। তবে পুলিশ যাওয়ার পরও প্রভাবশালী মহল কিভাবে নিয়ে গেল সে বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

লালমনিরহাট সিভিল সার্জন ডা. কাশেম আলী বলেন, গত ৪ ও ৫ তারিখ হামিদার রহমান ২ দিনের ছুটি নিয়েছিলেন। তবে ছুটির কারণ তিনি উল্লেখ করেননি।

জাহেদুল ইসলাম জাহিদ/এফএ/পিআর