ছিটমহলে জনগণনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ


প্রকাশিত: ০৩:২৬ এএম, ২১ জুলাই ২০১৫
ফাইল ছবি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কুচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসে ৫ ঘণ্টাব্যাপি ডিসি-ডিএম পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ৯টা এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ভারতীয় কুচবিহার জেলার ভারপ্রাপ্ত এডিএম চিরঞ্জীব ঘোষের নেতৃত্বে ওই বৈঠকে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সিস্টেম এনালাইসিস্ট যতন কুমার সাহা, সিনিয়র প্রোগামার মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রোগামার আহসান হাবীব ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর কুড়িগ্রাম জেলার উপ-পরিচালক (ডিডি) তহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট থেকে ১৯৫ জন, পঞ্চগড় থেকে ৪০৬ জন ও কুড়িগ্রাম থেকে ১৭৮ জন ভারতে যাচ্ছেন। এর মধ্যে ১৬৩ জন মুসলিম রয়েছেন।
 
বৈঠক শেষে দেশে ফিরে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলের প্রধান লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ভারতের কুচবিহার জেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত বাংলাদেশি ৫১ ছিটমহলে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার নাগরিককে জনগণনায় পাওয়া গেছে। এদের কেউই বাংলাদেশি নাগরিকত্ব চেয়ে আবেদনপত্র ফরম পূরণ করেননি। এতে বোঝা যাচ্ছে কেউ বাংলাদেশে আসছে না।

তবে নীলফামারী জেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত ভারতীয় ৪টি ছিটমহল থেকে কেউ ভারতে যাচ্ছে না। এছাড়া লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও পঞ্চগড় জেলার অভ্যন্তরে থাকা ভারতীয় ১০৭টি ছিটমহলের প্রায় সাড়ে ৪৪ হাজার নাগরিকের মধ্যে সনাতনধর্মীয় ৬১৬ জন ও মুসলিম ১৬৩ জন নাগরিক ভারতে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদনপত্র ফরম পূরণ করেছে। এসব তথ্যের হার্ডকপি গত ১৬ জুলাই হস্তান্তর হলেও সোমবারের বৈঠকে সফটকপি সরবরাহ করা হয়েছে। এসবের মধ্যে কিছু নামের বানান ভুল রয়েছে।
       
এছাড়া ২০১১ সালের যৌথ জনগণনার পর কেউ কেউ ছিটমহলের বাইরে চলে যাওয়ায় কিছু তথ্যের গরমিল রয়েছে। এসব বিষয় সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকায় জয়েন্ট বাউন্ডারী ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে বসার আগেই এসব সংশোধন করার প্রক্রিয়া রয়েছে। এছাড়া ভারত যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের অস্থাবর সম্পত্তি পরিবহন ও ট্রাভেল পাস ইস্যুর বিষয়টিও আলোচনা হয়েছে।

রবিউল হাসান/এসএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।