পাহাড় কেটে গড়া দুই পাকা বাড়ি উচ্ছেদ
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী বনবিটের বড় ঘোনায় পাহাড় কেটে নির্মাণ করা পাকা ও সেমিপাকা দুটি বসতবাড়ি উচ্ছেদ করেছে বনবিভাগ।
সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের পদুয়াস্থ সহকারী বন সংরক্ষকের (এসিএফ) নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খন্দকার এখতিয়ার উদ্দিন মো. আরাফাত। তবে, ভবন মালিকরা তাদের জমি খতিয়ানভুক্ত বলে দাবি করে এর প্রতিকার চেয়ে মামলা করবেন বলে জানান।

বনবিভাগ সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন কক্সবাজারের চকরিয়ার বরইতলী বনবিটের বড়ঘোনা এলাকার বনভূমিতে কিছু অবৈধ দখলদার পাকা বসতঘর নির্মাণ করছিল।
এসব নির্মাণাধীন ঘর উচ্ছেদে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিবলী মো. নোমানের সহযোগিতা কামনা করে বনবিভাগ। নির্বাহী কর্মকর্তা চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) অভিযানের দায়িত্ব দেন।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের পদুয়ার সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) ফয়সাল মাসুদের নেতৃত্বে চকরিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) খন্দকার আরাফাত, বনকর্মী ও ভিলেজারদের সঙ্গে নিয়ে বড়ঘোনা এলাকায় অভিযানে যান। সেখানে স্থানীয় আশরাফ উদ্দিনের নির্মাণাধীন পাকাবাড়ি ও আব্দুল মোনাফের আধাপাকা দুইটি বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে এসিএফ ফয়সাল মাসুদ জানান, চিহ্নিত বনদস্যুরা অবৈধ বসতবাড়ি নির্মাণ করছে- এ ধরনের খবর পেয়ে অভিযান চালায় বনবিভাগ। এ সময় নির্মাণাধীন দুই বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হবে।
সায়ীদ আলমগীর/এএম/আইআই