পটুয়াখালীতে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ০৪:৩৮ পিএম, ০৬ জুন ২০১৮

পটুয়াখালীতে মনোয়ারা বেগম হত্যা মামলায় কামরুল ইসলাম লিখন নামে এক আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই মামলায় অপর দুই আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার দুপুরে আসামীদের উপস্থিতিতে পটুয়াখালী বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শহিদুল্লাহ্ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুইজন হলেন- মো. বেলাল হোসেন ও মো. জহিরুল ইসলাম।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ৫ ডিসেম্বর রাতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পশ্চিম কালিশুরি গ্রামে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা অস্ত্র নিয়ে মনোয়ারা বেগমের বসতঘরে প্রবেশ করে ডাকাতি করেন। মনোয়রা ও তার সঙ্গে থাকা নাতনি মৌসুমি ঘুম থেকে উঠে তাদের বাধা দিতে গেলে আসামিরা কুড়াল দিয়ে মনোয়ারার মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান এবং তার নাতনি মৌসুমী হন।

ঘটনার পরদিন নিহতের বড় ভাই হোসেন আলী গাজী (৭০) বাদী হয়ে বাউফল থানায় ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাউফল থানা পুলিশের এসআই সিদ্দিকুর রহমান ২০০৮ সালের ৯ মার্চ তদন্ত সাপেক্ষে কামরুল হাসান লিখন, মো. বেলাল হোসেন, শাহিন সরদার ও জহিরুলকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পর্যায়ক্রমে তিন আসামিকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। ২০০৮ সালের ১ ডিসেম্বর পটুয়াখালী অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলামের কাছে আসামি জহিরুল হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। আসামি শাহিন সরদার বিচারকালীন সময়ে মারা যাওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট চন্দন সোমাদ্দার, অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ও অ্যাডভোকেট হুমায়ন কবির এবং রাষ্ট্রপক্ষে আরিফুল হক টিটো মামলাটি পরিচালনা করেন।

মহিব্বুল্লাহ চৌধুরী/আরএআর/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।