‘সরকার প্রশাসনকে দিয়ে ভোট ডাকাতির নীলনকশা করছে’
কক্সবাজার পৌর নির্বাচনের ভোট গ্রহণ ২৫ জুলাই। নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে জেতাতে সরকারি দল প্রশাসনকে ব্যবহার করে ভোট ডাকাতির নীলনক্সা করছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি নেতৃবৃন্দ। তাদের অভিযোগ, এ নীলনকশার সূত্রে শহরের রুমালিয়ারছড়ায় যানবাহন চলাচলে বাধা ও আগুন দেয়ার মিথ্যা অভিযোগে জেলা ও শহর ছাত্রদলের সভাপতিসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে ৫৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে পুলিশ মামলা করে। এ মামলাকে হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের এলাকা ছাড়ার করতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ও জেলা নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহাজাহান চৌধুরী বলেন, বিএনপি এখানে এককভাবে নির্বাচন করছে। জামায়াত নির্বাচন করছে তাদের মতো আলাদা করে। কিন্তু বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের একটি মিথ্যা মামলার আসামি করা হয়েছে। যা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অন্তরায় ।
উল্লেখ্য, ১৭ জুলাই ভোরবেলায় শহরের খুরুশকুল ব্রিজের দক্ষিণ পার্শ্বে তিন রাস্তার মোড় পাকা রাস্তার থেকে অনুমানিক তিন কিলোমিটার পূর্ব পর্যন্ত রাস্তায় যানবাহন চলাচলের প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি ও যানবাহনে আগুন দেয়ার অভিযোগে কক্সবাজার সদর উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা শহীদুল আলম বাহাদুর, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাসেদুল হক রাসেল এবং শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা আমিনুল ইসলাম হাসানসহ জামায়াত-বিএনপির ৫৭ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এজাহারে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হলেও অজ্ঞাত রাখা হয়েছে ৪০-৪২ জনের নাম। কক্সবাজার সদর থানার এসআই রাশেদুল কবির বাদী হয়ে বুধবার মামলাটি দায়ের করেছেন।
সায়ীদ আলমগীর/আরএ/পিআর