যাত্রী ছাউনি এখন গোলজারের হোটেল

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম
প্রকাশিত: ০৭:২৭ পিএম, ১৩ অক্টোবর ২০১৮

কুড়িগ্রাম-চিলমারী সড়কের বালাবাড়ীহাট মালেক মোড়ে নির্মিত যাত্রী ছাউনি দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। এতে বৈরি আবহাওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রীরা।

জানা গেছে, কুড়িগ্রাম-চিলমারী সড়কে কুড়িগ্রাম জেলা বাস মালিক সমিতির বাস ছাড়াও চিলমারী-ঢাকার বাস নিয়মিত চলাচল করে। এ পথের যাত্রীদের সুবিধার্থে বালাবাড়ীহাট মালেক মোড়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সরকারি জায়গার উপর জেলা পরিষদ ছাত্রী ছাউনি নির্মাণ করে।

সরেজমিন দেখা গেছে, জেলা পরিষদ কর্তৃক নির্মিত যাত্রী ছাউনি পুরোটি দখলে নিয়ে চায়ের দোকান গড়ে তুলেছেন বালাবাড়ীহাট রেলস্টেশন এলাকার গোলজার হোসেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় ৮ বছর ধরে তিনি যাত্রী ছাউনিতে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। এ পথে প্রতিদিন শত শত মানুষ কুড়িগ্রাম জেলা সদরসহ ঢাকায় যাতায়াত করতে গিয়ে বৈরি আবহাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েন।

এ ঘটনায় মো. এন্দাদুল হক নামে এক ব্যক্তি বেদখল যাত্রী ছাউনি উদ্ধারে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন।

আব্দুস সালাম (৩৫), শমসের আলী (৫৫), সোহরাব হোসেন (৪৫) নামে কয়েকজন যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রোদ, বৃষ্টিতে দাঁড়ানোর একমাত্র যাত্রী ছাউনিটি বেদখল হওয়ায় যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বেদখল হওয়া যাত্রী ছাউনিটি উচ্ছেদে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

এ বিষয়ে চায়ের দোকানদার গোলজার হোসেন জানান, এর আগেও একবার পুলিশ যাত্রী ছাউনি থেকে চায়ের দোকান সরাতে বলেছিল। পরে তিনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের মৌখিক অনুমতি নিয়ে ব্যবসা করছেন।

মটর শ্রমিক ইউনিয়নের চিলমারী শাখার সভাপতি আব্দুর রহিম জানান, যাত্রী ছাউনিটি এ পথের যাত্রীদের সুবিধার্থে করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এটি বেদখল হয়ে আছে। যাত্রী ছাউনি উদ্ধারে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এমনটি হয়ে থাকলে যাত্রী ছাউনিটি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নাজমুল/এমএএস/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :