জেমসের সঙ্গে কেঁদেছেন হাজারও দর্শক

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বরগুনা
প্রকাশিত: ০১:১৮ এএম, ১৯ অক্টোবর ২০১৮

উন্নয়ন কনসার্টে কানায় কানায় পূর্ণ বরগুনা স্টেডিয়াম। আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুর দিনে জেমসের অপেক্ষায় তখন ২০ সহস্রাধিক শোকাহত দর্শক। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে মঞ্চে ওঠেন জেসম। হাজার হাজার দর্শকের মুখে উচ্চারিত হয় ‘গুরু গুরু’।

এরপরই সদ্যপ্রায়াত প্রিয় বন্ধু-ভাই আইয়ুব বাচ্চুকে উন্নয়ন কনসার্ট উৎসর্গ করে গিটারে বেদনার সুর তোলেন জেমস।

বেদনার সেই সুরে হঠাৎ করেই স্তব্ধ হয়ে যায় হাজার হাজার দর্শক। জেমসের চোখে থেকে অঝোর ধারায় ঝরে অশ্রু। জেমসের সঙ্গে সঙ্গে অশ্রু ঝরে দর্শকদেরও।

এরপরই জেমসের জনপ্রিয় সেই ‘কবিতা’ গানটি গাইতে শুরু করেন জেমস। গান গাইছেন জেমস, অঝোর ধারায় অশ্রু ঝরছে তার দু’চোখ দিয়ে। সেই দৃশ্য চোখ এড়ায়নি স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজার হাজার দর্শকের।

কাঁদতে কাঁদতে গানের মাঝেই হঠাৎ করে বলে ওঠেন জেমস, ‘বন্ধুরা আমাকে ১০ মিনিট সময় দাও।’ এই বলেই কাঁদতে কাঁদতে মঞ্চ থেকে থেকে বেরিয়ে যান তিনি।

স্টেডিয়ামজুড়ে তখন শুনশান নীরবতা। হাজার হাজার দর্শকের মধ্যেও টু-টা শব্দ নেই কারও। আইয়ুব বাচ্চুকে স্মরণ করে কেউ অশ্রু ফেলছেন, আবার কেউ কেউ অশ্রু শুকাচ্ছেন। নিজেকে সামলে খানিক বাদে আবার মঞ্চে ওঠেন তিনি। এরপর ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আবারও গান পরিবেশন করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ব্যান্ডের সোনালী দিনে অনেক ডুয়েট অ্যালবামে একসঙ্গে গান করেছেন আইয়ুব বাচ্চু ও জেমস। অনেক কনসার্টেও দুজনকে একসঙ্গে গাইতে দেখা গেছে বহুবার।

মো. সাইফুল ইসলাম মিরাজ/বিএ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]