কেঁদে কেঁদে দেশের কল্যাণ কামনা লাখো মুসল্লির

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি লালমনিরহাট
প্রকাশিত: ০৫:০৮ পিএম, ৩০ মার্চ ২০১৯

দেশের কল্যাণ, দুনিয়া ও আখিরাতের শান্তি কামনা করে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো লালমনিরহাটের তিনদিনের আঞ্চলিক ইজতেমা। আখিরাতে মোনাজাতে লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন।

শনিবার দুপুরে জেলা কালেক্টরেট মাঠে আয়োজিত জেলা ইজতেমায় এ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত চলাকালে ইজতেমা স্থল ও আশপাশের এলাকা কান্নাজড়িত কণ্ঠে ‘আমিন- আমিন’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।

তিন দিনব্যাপী এ ইজতেমায় দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মুসল্লি আসলেও আখেরি মোনাজাতে অংশ নেয়ার জন্য শনিবার সকাল থেকে ইজতেমা প্রাঙ্গণে লাখো মুসল্লি জমায়েত হন। সকাল ৯টার পর মাঠের আশপাশের স্থানগুলো পরিপূর্ণ হয়ে যায়। স্থান সংকুলান না হওয়ায় এ সময় অনেকে মূল সড়ক, বাড়ির ছাদ ও আঙিনায় দাঁড়িয়ে আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন।

ijtema

এর আগে দেশবরেণ্য আলেমরা ইজতেমায় বয়ান পেশ করেন। পরে ঢাকার কাকরাইল মসজিদের মুরুব্বি মাওলানা আশরাফ আলী দীর্ঘসময় আলোচনা করেন। আলোচনা শেষে দুপুরে আখেরি মোনাজাত শুরু হয়। আখেরি মোনাজাত করেন ঢাকার কাকরাইল মসজিদের মুরুব্বি মাওলানা ওয়াজি উল্লাহ। প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে চলে মোনাজাত। এতে দেশের কল্যাণ, দুনিয়া ও আখিরাতের শান্তি কামনা করা হয়।

মুসল্লিরা বলছেন, ইজতেমায় অংশ নিয়ে তারা দেশ, জাতি ও বিশ্ব মানবতার জন্য দোয়া করেছেন। ইজতেমার শিক্ষা তারা ছড়িয়ে দেবেন সর্বত্র। ব্যক্তি ও সমাজজীবনে তা কাজে লাগাবেন ইজতেমার শিক্ষা।

এর আগে একই মাঠে শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। কাকরাইল মসজিদের মুরুব্বি মাওলানা আশরাফ আলী জুমার নামাজের ইমামতি করেন।

রবিউল/এএম/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।