এভাবেই চলে যাচ্ছে...

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ঝালকাঠি
প্রকাশিত: ০৯:৩৩ এএম, ১০ মে ২০১৯

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুশংঙ্গল ইউনিয়নের দক্ষিণে এবং সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের উত্তর দিকের সীমান্তে মানপাশা বাজার সংলগ্ন একটি সেতু রয়েছে। ১৯৮৮ সালে সেতুটি নির্মাণের পর আজ পর্যন্ত তার সংস্কার বা পুনঃনির্মাণে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। নলছিটি থেকে এই সড়ক থেকে মোল্লারহাটের খেজুরতলা হয়ে বরগুনা যাতায়াত করা হয়। এ ছাড়া নলছিটি-বরিশাল, নিয়ামতি, নাচনমহল, সুবিদপুর, রানাপাশা, বাকেরগঞ্জে সড়ক পথে যাতায়াতের জন্য এই সেতুটি গুরুত্বপূর্ণ।

নলছিটি উপজেলার কুশংঙ্গল ইউনিয়নের মানপাশা একটি বড় বাজার; যে বাজারে ছোট বড় প্রায় সাড়ে ৩শ দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব দোকানের মালামাল আনা-নেয়ার কাজে সেতুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

nalchity

সেতুটির বিষয়ে কুশংঙ্গল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন সিকদার বলেন, ‘আমাদের এমপি আমির হোসেন আমু। সেতুটি দ্রুত নির্মাণে এলজিইডি বিভাগকে নির্দেশনা দিলেও তা কার্যকর হচ্ছে না। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে সেতুটির বেহাল দশা দীর্ঘ দিন ধরে। এটি নির্মাণের জন্য আমি ঝালকাঠি এলজিইডি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাকে একটি বিকল্প (বাইপাস) সড়ক নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন। তারপর আমি ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে তা নির্মাণ করেছি আরও ৩ মাস আগে। নির্বাহী প্রকৌশলী বলেছেন এটি নির্মাণের ফান্ড এলে সেখান থেকে এ খরচ পুষিয়ে দেয়া হবে। দ্রুত সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ না নিলে এসব রুটে ভারী যানবাহন চলাচল শুরু হবে না। যদিও নির্বাহী প্রকৌশলী আশ্বাস দিচ্ছেন শিগগিরই বরাদ্দ এলে কাজ শুরু হবে।

এ প্রসঙ্গে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘সেতুটির বেহাল দশা, এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। জাইকা প্রকল্পে সেতুটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি কনসালটেন্টকে এর ডিজাইন নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ডিজাইনের পর বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।’

মোঃ আতিকুর রহমান/এনএফ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।