বান্দরবানে জেএসএসের ১১ নেতাকর্মী রিমান্ডে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বান্দরবান
প্রকাশিত: ১০:০০ পিএম, ১১ জুন ২০১৯
ফাইল ছবি

বান্দরবান পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চথোয়াই মং মারমা হত্যাসহ তিনটি মামলায় জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকসহ সংগঠনটির ১১ জন নেতাকর্মীকে রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে বান্দরবান চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহারের আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ মে বান্দরবান সদর উপজেলার উজীপাড়া খামার বাড়ি থেকে পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চথোয়াই মং মারমাকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী মেসাচিং মারমার দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠিনক সম্পাদক কে এস মং মারমা, জেলা সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যবামং মারমা, জনসংহতি সমিতির নেতা বাসিং মং মারমা, মেরুং মারমা ও চাইহ্লা মারমার প্রত্যেকের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

অপরদিকে গত ১৮ মে রাজবিলা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ কর্মী ক্যচিং থোয়াই মারমা হত্যা মামলায় গ্রেফতার জনসংহতি সমিতির নেতা জয় তঞ্চঙ্গ্যা, সংগঠনটির কর্মী দিপন তঞ্চঙ্গ্যা ও মিন থোয়াই অং মারমার পাঁচ দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া গত ৯ মে জয়মনি তঞ্চঙ্গ্যা হত্যা মামলায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হওয়া জনসংহতি সমিতির নেতাকর্মী উচিং মং মারমা, মংতু মারমা ও উসাইনু মারমার প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রিমান্ড মঞ্জুরের পর আসামিদের আদালত থেকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, আওয়ামী লীগ নেতা হত্যা মামলাসহ তিনটি মামলায় পৃথকভাবে ১১ জন আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, গত ৭ মে সন্ত্রাসীরা জনসংহতি সমিতির কর্মী বিনয় তঞ্চঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করে। একই দিন অপহরণ করা হয় পুরাধন তঞ্চঙ্গ্যা নামের অপর কর্মীকে, তারও সন্ধান মেলেনি।

গত ৯ মে সন্ত্রাসীরা জনসংহতি সমিতির সমর্থক জয়মনি তঞ্চঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করে। ১৯ মে বান্দরবানের রাজবিলায় আওয়ামী লীগের সর্মথক ক্য চিং থোয়াই মারমাকে অপহরণের পর গুলি করে হত্যা করা হয়।

সর্বশেষ গত ২২ মে বান্দরবান আওয়ামী লীগের পৌর কমিটির সহ-সভাপতি চথোয়াই মং মারমাকে হত্যা করা হয়।

সৈকত দাশ/এমবিআর/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :