‘প্রতিটি সেক্টরে শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর
প্রকাশিত: ০৩:৪৭ এএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, আজকের বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। প্রতিটি সেক্টরে শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে।

শুক্রবার বিকেলে দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ বড়ময়দানে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ও সাবেক এমপি মরহুম এম আব্দুর রহিমের ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি একথা বলেন।

স্পিকার শিরীন শারমিন বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দিনাজপুরের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। দিনাজপুরে আইসিটি পার্ক করার কাজ হাতে নিয়েছে। ইতোমধ্যে দিনাজপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের চিন্তা-ভাবনা থেকে এ অর্থনৈতিক অঞ্চল করছেন।

তিনি বলেন, দিনাজপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু হলে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। যা দিনাজপুরের অর্থনীতিকে আরও অনেক বেশি বেগবান করবে। বর্তমান সরকার ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ২টি মডেল মসজিদ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

মরহুম এম আব্দুর রহিমের স্মরণে তিনি বলেন, মরহুম এম আব্দুর রহিম একজন শিক্ষানুরাগী ছিলেন। যার প্রমাণ পাওয়া যায় তার নিজের ছেলে-মেয়েদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করা দেখে। মরহুম এম আব্দুর রহিমের জীবন থেকে আমাদের অনেক শেখার আছে।

এম আব্দুর রহিম সমাজকল্যাণ ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্র কর্তৃক ছয়দিন ব্যাপী গৃহীত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ ঐতিহাসিক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

এম আব্দুর রহিম সমাজকল্যাণ ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের সভাপতি প্রবীন আইনজীবী আজিজুল ইসলাম জুগলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম ও ৭১ টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু।

পরিবারের পক্ষ হতে বক্তব্য রাখেন মরহুম এম. আব্দুর রহিমের বড় ছেলে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও মেয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. নাদিরা সুলতানা।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মরহুম এম আব্দুর রহিমের ছোট ছেলে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম, জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম, দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল ইমাম চৌধুরী, পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম প্রমুখ।

এমদাদুল হক মিলন/এমবিআর