সমাজ পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা বাবা-মা-শিক্ষকের

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নাটোর
প্রকাশিত: ০৯:০১ পিএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২০

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পুরোপুরি অবৈতনিক করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০০% শিক্ষা নিশ্চিতের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বছরের প্রথম দিনই বই উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই তুলে দিচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা না হলে আজ বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হতো।

রোববার বিকেলে নাটোরের সিংড়া কোর্ট মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা অধিদফতরের যৌথ আয়োজনে চলনবিল শিক্ষা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পলক বলেন, শিক্ষক, সমাজ পরিবর্তনে বাবা-মা ও শিক্ষকের অবদান সবচেয়ে বেশি। শিক্ষার্থীদের তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য জিপিএ-৫ অর্জন করা নয়, মানুষের মতো মানুষ হওয়া। একজন সৎ, আদর্শবান, নৈতিকতা, বিবেকসম্পন্ন দেশপ্রেমী মানুষ দেশের সম্পদ রক্ষা করতে পারে, দেশের জন্য ভালো করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, একসময় সিংড়ার চলনবিলের মানুষ বঞ্চিত, নির্যাতিত ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকারের সুদৃষ্টির কারণে সিংড়ায় উন্নয়নের জোয়ার বইছে। প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণে সিংড়ায় ২৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আইসিটি পার্ক, শেখ কামাল আইসিটি ইনকিউবেশন সেন্টার নির্মিত হচ্ছে। সরকার বেকার সমস্যা দূর করতে পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমানে দেশে শিল্প উদ্যোক্তা তৈরি ও শিল্প বিপ্লব ঘটাতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন বানুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ, পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রমজান আলী আকন্দ প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে মেধাবী কৃতী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মাননা, রত্নগর্ভা ও মরণোত্তর গুণীজন সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরে সেখানে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রেজাউল করিম রেজা/এনএফ/এমকেএইচ