শক্তিশালী পর্যটন বাড়াবে কর্মসংস্থান
বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদ আহমেদ জানান, ট্যুরিজম অর্থনীতির জন্য বড় শক্তি। দেশের অর্থনীতির আকার বেড়েছে। আর অর্থনীতির আকার যদি বাড়ে কোনো না কোনোভাবে যে কেউ উপকৃত হয়। আর শক্তিশালী পর্যটন বাড়াবে কর্মসংস্থান।
সোমবার দুপুরে বান্দরবান জেলা প্রশাসক মিলানায়তনে পর্যটন শিল্পের বিকাশে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন শীর্ষক মাঠ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. দাউদুল ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, যেভাবে অর্থনীতি বাড়ছে সেভাবে কর্মসংস্থান বাড়ছে না। দেশ ডিজিটালাইজড হচ্ছে। আর ডিজিটালাইজড হওয়ার কারণে ঐতিহ্যগতভাবে অনেক জব চোখের সামনে হারিয়ে যাবে। তখন এদের কর্মসংস্থানের কি হবে? এখন বেশিরভাগ বিদেশি রাষ্ট্রগুলো দেশ থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে লোক নিয়োগ নিচ্ছে না।
তিনি বলেন, দেশে পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা আছে। পর্যটনকে যদি শিল্প হিসেবে দাঁড় করানো যায় তাহলে এ খাতে কর্মসংস্থানের একটা বড় জায়গা হবে। তবে এ খাতের জন্য প্রয়োজন মহাপরিকল্পনার। সকলে সমন্বিতভাবে কাজ করলে এ খাতকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া সম্ভাব।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যটন বিষয়ক পড়াশুনা নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যটন নিয়ে পড়াশুনা হচ্ছে, এদের বেশির ভাগই চাকরি নিয়ে হতাশাগ্রস্ত। আর এ শিল্প দাঁড়িয়ে গেলে হতাশা আর থাকবে না।

এর আগে সকালে ১ম অধিবেশনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম কাউছার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক সাইফুল ইসলাম ও পরমার্শক দলের প্রধান বেঞ্জামিন কেরি।
এ সময় প্রথম পর্যায়ে পাহাড়ের পর্যটন শিল্পের বর্তমান অবস্থা, এর শক্তি কতটুকু, দুর্বলতা কোথায়, সম্ভাবনা কেমন, কোন ধরনের সংকট রয়েছে তা নিয়ে আলোকপাত করেন বক্তারা।
বান্দরবান পার্বত্য জেলা থেকে মহাপরিকল্পনার কাজ প্রথম শুরু হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও বান্দরবান জেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে দিনব্যাপী এ কর্মশালায় অনুষ্ঠিত হয় ।
সৈকত দাশ/এমএএস/জেআইএম