চাঁদাবাজির মামলায় কী আর হবে, তবে তোকে শেষ করে দেব
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসমাউল হুসাইনকে চাঁদাবাজি মামলায় জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত।
রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত -৮ এর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব রায় জামিন আবেদন নাকজ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশনা দেন।
চাঁদাবাজি মামলার প্রধান আসামি আসমাউল হুসাইন আশাশুনি উপজেলা সদরের রফিকুল ইসলামের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি।
মামলার বাদী এনজিওকর্মী জাবের হোসেন জানান, আমাকে আটক রেখে বেধড়ক মারপিট করে ছাত্রলীগ সভাপতি আসমাউল হুসাইনসহ তার সঙ্গীরা। এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। জিম্মি করে ২০ হাজার টাকা চাঁদা নেয়। পরবর্তীতে বাকিটাকা পরিশোধ করার জন্য হুমকি দেয়।
তিনি বলেন, পরদিন গত ৩০ ডিসেম্বর আশাশুনি থানায় আসমাউল হুসাইন (৩০), সেলিম রেজা (২৮), রানা ওরফে গুটি রানা (২৯), জয়নাল (২৭), জেনিথ (২৬), আল-আমিন হোসেনসহ (২৭) অজ্ঞাত আরও ২/৩ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করি।
তিনি বলেন, আজ (রোববার) শুনানির আগে আদালতের বারান্দায় আসামিরা আমাকে বলে, এ তো আর মার্ডার মামলা না যে, ফাঁসি হবে। চাঁদাবাজির মামলায় কি আর হবে? তবে তোকে শেষ করে দেব।
সাতক্ষীরা আদালতের আইনজীবী রবিউল ইসলাম বলেন, মামলার ছয় আসামি আদালতে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত চারজনের জামিন মঞ্জুর ও মামলার প্রধান আসামি আসমাউল হুসাইনের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
আকরামুল ইসলাম/এমএএস/জেআইএম