গাইবান্ধার সেই কৃষকের স্বপ্ন পূরণ করল ‘স্বপ্ন’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গাইবান্ধা
প্রকাশিত: ১০:১৭ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২০

উত্তরের জেলা গাইবান্ধায় প্রতিবারের মতো এবারও ব্যাপক মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, করলা, টমেটো, পটল ও মিষ্টি কুমড়াসহ বিভিন্ন সবজি উৎপাদন হয়েছে। সম্প্রতি দেশব্যাপী ছড়িয়েপড়া করোনাভাইরাসের কারণে বিক্রি হচ্ছে না এসব সবজি। এতে করে লাভ পাওয়া তো দূরের কথা উৎপাদন খরচ তোলাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে চাষিদের জন্য।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দেশের বিভিন্ন জেলার মতো গাইবান্ধা জেলাও লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে চাষিরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে পারছেন না।

এ কারণে বেশির ভাগ চাষির সবজি মাঠেই নষ্ট হচ্ছে। এ দুর্যোগের মাঝেও কেউ কেউ তাদের উৎপাদিত সবজি বাজারে তুললেও দাম পাচ্ছেন পানির দরে।

সম্প্রতি গাইবান্ধার সবজি চাষিদের হতাশা নিয়ে একটি ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ হয় দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজপোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কম’এ।

প্রতিবেদনে জেলার সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের আলোচিত সবজি চাষি আমির হোসেন তার টমেটো বিক্রি না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন।

আর সেটি নজরে আসে দেশের জনপ্রিয় রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’র। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি ইতোমধ্যে সেই কৃষকের সঙ্গে যোগোযোগ করে তার সব টমেটো কিনে নিয়েছে। এতে ব্যাপক খুশি কৃষক আমির হোসেন।

আমির হোসেন বলেন, আমার প্রতিবেদনটি দেখার পর ‘স্বপ্ন’ কোম্পানির প্রতিনিধি রুবেল এসে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং বাগানের সব টমেটো ন্যায্য দামে কিনে নেন। লকডাউনের মাঝেও তারা এসে যে আমার সবজি কিনেছেন এজন্য সমস্ত কৃষকের পক্ষ থেকে আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই।

এ প্রসঙ্গে ‘স্বপ্ন’র নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির জাগো নিউজকে বলেন, কৃষকের পাশে শুরু থেকেই আছি আমরা। তাদের মুখে হাসি সবসময়ই দেখতে চাই। বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে ‘স্বপ্ন’। এরই ধারাবাহিকতায় আমির হোসেনের মতো অনেক কৃষকের জন্য বর্তমানে কাজ করছি আমরা। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ‘স্বপ্ন’ তাদের পণ্য ন্যায্য দামে এরইমধ্যে কেনা শুরু করেছে।

জাহিদ খন্দকার/এমএএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]