নদী পার হয়ে ঢাকায় ছুটছে মানুষ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মাদারীপুর
প্রকাশিত: ০৮:৪৬ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২০

গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বেড়েছে দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলার প্রবেশদ্বার খ্যাত কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া ঘাটে। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে পারাপারের প্রতিযোগিতা। সকাল থেকে রাজধানীমুখী যাত্রীদের ভিড়ে যেন পা রাখা দায় কাঁঠালবাড়ি ঘাটে।

দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার সতর্ক থাকলেও পদ্মা নদীর কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে যেন পারাপারে প্রতিযোগিতায় নেমেছে হাজার হাজার মানুষ।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সরেজমিনে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে দেখা যায়, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকলেও ফেরিতে নদী পাড়ি দিচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাও তেমন নেই।

বিআইডব্লিউটিসির কাঁঠালবাড়ি ঘাট সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরেই ৪-৫টি ফেরিতে সীমিত আকারে যানবাহন পার করা হচ্ছে। কিন্তু ঢাকার গার্মেন্টসগুলো খোলার কারণে বিভিন্ন জেলা থেকে বিকল্পভাবে ভেঙে ভেঙে ঘাটে এসে ঢাকামুখী যাত্রীরা ফেরি পার হচ্ছেন। মূলত যাত্রীদের সঙ্গে প্রাইভেটকার, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবাদানকারী যানবাহন পার করা হচ্ছে।

jagonews24

বরিশাল থেকে ঢাকাগামী যাত্রী শাহ আলম জানান, খুব কষ্ট করে অনেক টাকা খরচ করে এ পর্যন্ত আসছি। কী করবো? আজ অনেক দিন ধরে বাড়িতে বসা, কোনো কাজ নেই। ঢাকা যাই দেখি কোনো কাজ পাই কি না।

আজ সকাল থেকে ঘাটে চলমান ১৭টি ফেরির মধ্য ২টি রোরো, ২টি ডাম্প, ২টি ‘কে’ ধরন ও ১টি মধ্যম ফেরির মাধ্যমে যাত্রী ও যানবাহন পার করানো হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসি কাঁঠালবাড়ি ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক সামসুল আরেফিন বলেন, সকাল থেকেই রাজধানীমুখী যাত্রীর অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। আজ ৭টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পার করানো হচ্ছে।

নাসিরুল হক/এফএ/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।