শ্যামনগরে ধান সংগ্রহের পরিমাণ বাড়ানোর দাবি কৃষকের

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা
প্রকাশিত: ০৯:৫৭ পিএম, ১৪ মে ২০২০

উপকূলীয় এলাকা সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে ১৭৮ মেট্রিক টন বোরো ধান সংগ্রহ করবে সরকার। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নকিপুর খাদ্যগুদাম কার্যালয় প্রাঙ্গণে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য জগলুল হায়দার। এতে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আ.ন.ম আবুজার গিফারি, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুল হোসেন মিয়া, কৃষক প্রতিনিধি মোহাম্মাদ আলী ও শ্যামনগরের নকিপুর খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা আমিনুর রহমান।

সংসদ সদস্য জগলুল হায়দার বলেন, কৃষকরা যেন নায্যমূল্য পান সেদিক খেয়াল রাখতে হবে। কোনো বাধা-বিঘ্ন ছাড়াই কৃষকরা যেন ধান বিক্রি পারেন সেদিকে গুদাম কর্মকর্তাদের নজর রাখতে হবে। কোনো অসাধু চক্র রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের চেষ্টা করলে প্রতিহত করা হবে। বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। কৃষকরা বাঁচলেই বাংলাদেশ বাঁচবে।

শ্যামনগরের নকিপুর খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা আমিনুর রহমান বলেন, প্রশাসন, কৃষি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচিত করে ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে। কৃষকরা নির্বিঘ্নে গুদামে সরকারি মূল্যে ধান বিক্রি করতে পারবেন।

তিনি বলেন, উপজেলায় বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭৮ মেট্রিক টন, সিদ্ধ চাল ১৭০ মেট্রিক টন ও আতপ চাল ৫৬ মেট্রিক টন। প্রতি কেজি ধানের মূল্য ২৬ টাকা, সিদ্ধ চাল ৩৬ টাকা ও আতপ চাল ৩৫ টাকা করে সংগ্রহের মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। উপজেলার ৩৭৪৬ জন কৃষকের মধ্য থেকে ১৭৮ জন কৃষককে নির্বাচিত হয়েছে। প্রতিজন কৃষক এক মেট্রিকটন ধান দিতে পারবেন।

ধান সংগ্রহ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে কৃষক প্রতিনিধি শ্যামনগর সদরের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী বলেন, আইলা, ফনি, বুলবুলসহ বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলার কৃষকরা। উৎপাদনের তুলনায় কৃষকদের কাছ থেকে যেটুকু ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে সেটি খুব নগণ্য। শ্যামনগর উপজেলা থেকে আরও কয়েকগুণ বেশি ধান সংগ্রহ করলে কৃষকরা উপকৃত হবেন।

আকরামুল ইসলাম/এএম/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।