ঘূর্ণিঝড়ে সরকারি গাছ ঘরের ওপর পড়ায় ক্ষতিপূরণ চান কলেজশিক্ষক

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা
প্রকাশিত: ০৩:২৫ পিএম, ২৩ মে ২০২০

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে হেলে পড়েছে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর খাদ্যগুদামের পাশের একটি রেইনট্রি গাছ। গাছটি হেলে পড়েছে গুদামের সীমানার বাইরে বসবাসকারী আবুল হোসেনের বাড়ির ওপর। এতে গুদাম কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে নিয়েছেন মামলার প্রস্তুতি।

ক্ষতিপূরণ দাবিকারী আবুল হোসেন নকিপুর গ্রামের বাসিন্দা ও শ্যামনগর সরকারি মহসিন কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক।

প্রভাষক আবুল হোসেন বলেন, নকিপুর গুদাম লাগোয়া আমার দোতলা বাড়ি। ঘূর্ণঝড়ে গুদামের অভ্যন্তরে থাকা একটি রেইনট্রি গাছ আমার বাড়ির ওপর হেলে পড়েছে। গাছের একটি ডাল পড়ে ঘরের টিন উড়ে গেছে, কিছু টাইলস নষ্ট হয়েছে।

তিনি বলেন, ইতোপূর্বে আমি গাছের ডালগুলো কেটে নেয়ার জন্য গুদাম কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। তবে তারা সেগুলো সরিয়ে নেয়নি। এখন আমি আমার বাড়ির ক্ষতিপূরণ দাবি করে লিখিত অভিযোগ নিয়ে ঘুরছি। শনিবার দুপুর ২টার দিকে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অভিযোগটি জমা দেয়ার অপেক্ষা করছি। থানায়ও অভিযোগ দেব। আমি ক্ষতিপূরণ চাই।

শ্যামনগরের নকিপুর খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা আমিনুর রহমান বলেন, লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছেন ওই কলেজশিক্ষক। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তার আবেদন পাঠানো হয়েছে। সরকারি গাছ আমরা চাইলেই কাটতে পারি না। গাছ হেলে পড়ার বিষয়টি জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমার কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন ওই কলেজশিক্ষক। না দিলে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। ঝড়ে গাছ পড়ে যাওয়ার ঘটনায় আমার বিরুদ্ধে মামলার বিষয়টি দুঃখজনক।

এ ঘটনায় শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আ.ন.ম আবুজর গিফারী বলেন, ঝড়ে একটি গাছ হেলে পড়েছে। কেউ ইচ্ছাকৃত ফেলেনি। ক্ষতিপূরণ কে দেবে? বিষয়টি আমি তাকে জানিয়েছি। এখন সরকার যদি তাকে ক্ষতিপূরণ না দেয় তবে আমরা তাকে ক্ষতিপূরণ দেব।

আকরামুল ইসলাম/এএম/জেআইএম