মাদারীপুর শহর রক্ষা বাঁধে ভাঙন, আতঙ্কে শহরবাসী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মাদারীপুর
প্রকাশিত: ১১:০০ এএম, ০২ আগস্ট ২০২০

মাদারীপুরের আড়িয়াল খাঁ নদীর শহর রক্ষা বাঁধের লঞ্চঘাট এলাকার বেড়িবাঁধসহ ওয়াক ওয়ের ২০ মিটার এলাকা গতকাল শনিবার বিকেল ৪টার দিকে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে শত শত বসত-বাড়ি। আতঙ্কে রয়েছে শহরবাসী। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বিকেল থেকেই বালুর বস্তা ফেলানো হচ্ছে।

জানা গেছে, আড়িয়াল খাঁ নদীর শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় শনিবার বিকেলে হঠাৎ করে ভাঙন শুরু হয়। পানির স্রোতে নদীর পাশে ওয়াক ওয়েসহ শহর রক্ষা বাঁধের ২০ মিটার ধসে যায়। এ সময় পাশের একটি বসতঘরও নদে বিলীন হয়ে যায়। এতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।

ঝুঁকিতে থাকা মানুষজন বসতঘর থেকে প্রয়োজনীয় মালামাল সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে লঞ্চঘাট, পুলিশ ফাঁড়ি, পুরান শহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ শহরের শত শত স্থাপনা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম সাহা, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওবাইদুর রহমান খান, পৌরসভার মেয়র মো. খালিদ হোসেন ইয়াদসহ স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা।

Madaripur-(2).jpg

ভাঙনরোধে রাতের মধ্যেই বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। এদিকে শিগগিরই টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও ডাম্বিং কার্যক্রম শুরু না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।

স্থানীয় কামাল সরদার বলেন, হঠাৎ করে নদীতে ভাঙনের কারণে আমরা খুব আতঙ্গে আছি। এখন থেকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে পুরো শহরই ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়বে।

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম সাহা বলেন, মাদারীপুর শহর রক্ষা বাঁধের একাংশ ভেঙে গেছে। বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তিন শতাধিক বালুর বস্তা ভাঙন কবলিত স্থানে ফেলা হয়েছে। আরও বালুর বস্তা ফালানো হবে। বস্তা ফেলে ভাঙন প্রাথমিকভাবে রোধ করা গেছে। নদীতে পানি কম থাকায় শহরে পানি প্রবেশ করতে পারেনি।

নাসির/এমএএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]