ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশিত: ০৬:০৯ পিএম, ১২ আগস্ট ২০২০
ফাইল ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানার পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ‘ক্রসফায়ারের’ ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আখাউড়া) আদালতে ভুক্তভোগী হারুন মিয়া মামলাটি দায়ের করেন। তার বাড়ি আখাউড়া উপজেলার মসজিদপাড়া মহল্লায়।

আদালতের বিচারক জাহিদ হোসেন মামলাটি তদন্ত করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপারকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- আখাউড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মতিউর রহমান, হুমায়ুন কবির, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) খোরশেদ এবং কনস্টেবল প্রশান্ত ও সৈকত।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়া উপজেলার মসজিদপাড়ার বাসিন্দা হারুনের প্রতিবেশী চিকুনী বেগম ও তার মেয়ে তানিয়া এবং তানজিনার সঙ্গে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছেন। হারুন মাদক ব্যবসায় বাধা দিলে চিকুনী তাতে ক্ষুদ্ধ হয়ে পুলিশ সদস্যদের হারুনের পেছনে লেলিয়ে দেন।

গত ২৬ মে অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ সদস্য নাটকীয়ভাবে চিকুনী বেগমকে গ্রেফতার দেখিয়ে তার প্ররোচনায় হারুনের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশির নামে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। এ সময় ‘ক্রসফায়ারের’ ভয় দেখিয়ে ঘরে থাকা নগদ ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন অভিযুক্তরা। তারা হারুন ও তার স্ত্রীকে মিথ্যা মাদক মামলা ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ভয় দেখিয়ে তাদের কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাদেরকে মাদক মামলায় চালান দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। পরে পঞ্চাশ হাজার টাকায় রক্ষা পান হারুন ও তার স্ত্রী।

মামলার বাদী হারুন মিয়া বলেন, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা ‘ক্রসফায়ারের’ ভয় দেখিয়ে আমার কাছ থেকে ধাপে ধাপে টাকা নিয়েছে। আমি ন্যায় বিচারের আশায় আদালতে অভিযোগ করেছি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) রইছ উদ্দিন বলেন, মামলার বিষয়টি আমরা শুনেছি। তবে দাফতরিক কোনো কাগজপত্র এখনও পাইনি।

আজিজুল সঞ্চয়/আরএআর/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।