যানজটের কারণ জানতে মহাসড়কে ডিসি

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)
প্রকাশিত: ০৬:১৩ পিএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চলের ৪শ মিটার এলাকায় প্রতিদিনই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। নিত্যদিনের এই যানজটের ঘটনা প্রায় তিন মাস ধরে চলে আসছে। এতে এই মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী হাজারো যাত্রীকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কোনো কোনো দিন এই যানজট দিনব্যাপীও স্থায়ী হয়।

এ নিয়ে গত ১১ সেপ্টেম্বর জাগো নিউজে ‘জয়দেবপুর-এলেঙ্গা পর্যন্ত ৬ লেনের কাজ শেষ হওয়া নিয়ে শঙ্কা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নজরে আসে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) জেলা আইন-শৃঙ্খলা সভায় যানজটের বিষয়ে অনেকেই আলোচনা করেন বলে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আতাউল গণি জানান।

এদিকে মহাসড়কের ওই স্থানে কেন নিত্যদিন যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে তা জানতে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আতাউল গণি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

jagonews24

এ সময় চার লেন প্রকল্পের পরিচালক মো. ইসহাক হোসেন, অতিরিক্ত পরিচালক জিকরুল হাসান, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম, মির্জাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মালেক, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুবায়ের হোসেন, থানার ওসি মো. সায়েদুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক হুকুম দখলকৃত জমির মালিকরা যাতে দ্রুত তাদের ক্ষতিপূরণের টাকা পান সেই ব্যবস্থা করার পাশাপাশি যানজট নিরসনে সবাইকে আন্তরিক হয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

চার লেন প্রকল্পের পরিচালক মো. ইসহাক হোসেন জেলা প্রশাসককে যানজটের কারণ ব্যাখা করে জানান, মহাসড়কের ওই স্থানে ৩৭০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৮.২ মিটার প্রস্থ উড়াল সেতু নির্মাণ করা হবে। কিন্তু মহাসড়কের ওই স্থানের উভয় পাশের হুকুম দখলকৃত জমির মূল্য এখনও পরিশোধ হয়নি। এজন্য মহাসড়কের উভয় পাশের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির মালিকরা তাদের স্থাপনাগুলো সরিয়ে নিতে বিলম্ব করছেন। উড়াল সেতু নির্মাণের আগে সার্ভিস লেন তৈরি করতে হবে। এছাড়াও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মহাসড়কের ওপর থেকে তাদের বৈদ্যুতিক খুঁটি না সরানোর কারণে নির্মাণকাজ বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে প্রতিদিন ওই এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। যানজটের কারণে নির্মাণকাজের সঙ্গে জড়িত কর্মীরাও ঠিক মতো কাজ করতে পারছেন না। এ জন্য কিছু কর্মী ওই স্থান থেকে সরিয়ে নেয়ার কথাও জানান প্রকল্প পরিচালক।

jagonews24

তিনি আরও জানান, মহাসড়কের ওই স্থানের উভয় পাশের স্থাপনাগুলো যথাসময়ে সরিয়ে নেয়া হলে দ্রুত দুই পাশে সার্ভিস লেন নির্মাণ করা সম্ভব হবে। এতে উড়াল সেতুর কাজ দ্রুত সময়ে শেষ করার পাশাপাশি নিত্যদিনের যানজটও দূর হবে।

এস এম এরশাদ/আরএআর/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।