ফ্যানে ঝুলছিল বড় বোন, মেঝেতে পড়েছিল ছোট বোনের লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক রংপুর
প্রকাশিত: ০৩:৫১ পিএম, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

রংপুর নগরীর মধ্য গণেশপুর থেকে দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা সস্পর্কে চাচাতো বোন।

তারা হলো, গণেশপুর এলাকার মোকছেদুল ইসলামের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার মীম (১৬) ও মমিনুল ইসলামের মেয়ে জান্নাতুল মাওয়া (১৪)।

এর মধ্যে সুমাইয়া আক্তার মীমের মরদেহ ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলানো অবস্থায় পাওয়া যায়। তার চাচাতো বোন জান্নাতুল মাওয়ার মরদেহ পাশের ঘরে মেঝের ওপর পড়েছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

jagonews24

মীম নগরীর মুলাটোল আলিয়া মাদরাসার এবং জান্নাতুল মাওয়া স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈয়বুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বউকে আনতে এলাকার বিদ্যুৎমিস্ত্রী মমিনুল ইসলামের মেয়ে জান্নাতুল মাওয়াকে রেখে শ্বশুর বাড়ি কুড়িগ্রাম যায়। জান্নাতুল তার চাচাতো বোন সুমাইয়াকে রাতে একসঙ্গে থাকার জন্য নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে।

এরপর শুক্রবার বেলা ১২টা পর্যন্ত ঘরে সাড়া-শব্দ না পেয়ে সুমাইয়ার মা ঘরে প্রবেশ করে সুমাইয়াকে ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং জান্নাতুল মাওয়াকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে।

খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে জান্নাতুল মাওয়ার নাকে রক্ত ও গলায় দাগ রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশীদ বলেন, এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা এ মুহূর্তে বলা সম্ভব না। মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি এর নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে তা উদঘাটনে পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করেছে।

জিতবু কবীর/আরএআর/এমএএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]