ফেনীতে আদিবাসী তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ২

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফেনী
প্রকাশিত: ১০:৪১ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২০
প্রতীকী ছবি

ফেনীতে এক আদিবাসী তরুণীকে (১৮) দুই দফা ধর্ষণের অভিযোগে রিকশাচালক মো. রিয়াজ (২৬) ও সেলুন দোকানের কর্মচারী ছোটন চন্দ্র শীলকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ওই আদিবাসী তরুণী খাগড়াছড়ির বাসিন্দা। রোববার রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে সে ওইদিন রাত দেড়টার দিকে ফেনীতে এসে পৌঁছে। তার এক বান্ধবী ফেনী চাড়িপুরে বিসিক এলাকায় আবুল খায়ের ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে কাজ করে।

সে বিসিকে যাবার জন্য মহিপাল থেকে রিকশাচালক রিয়াজের রিকশায় ওঠে। রিয়াজ তাকে বিসিক যাবার কথা বলে ফেনী পৌর এলাকার ১২নং ওয়ার্ডের মোক্তার বাড়ি এলাকার একটি ঘরে নিয়ে রাত আড়াইটার দিকে ধর্ষণ করে বলে ওই তরুণী পুলিশকে জানায়।

এ সময় সে কান্নাকাটি শুরু করলে গভীর রাতে রিয়াজ তাকে নিয়ে আবার বের হয়ে বিসিকের দিকে রওনা দেয়। ফেনী সদরের আমতলী রাস্তার মাথার কাছে সেলুন কর্মচারী ছোটন তাকে রিকশা থেকে নামিয়ে পাশে আরেকটি ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে।

সোমবার ওই তরুণী ফেনী মডেল থানায় গিয়ে অভিযোগ করলে পুলিশ সোমবার রাত ৮টার দিকে মোক্তার বাড়ির কাছে দেয়ানগঞ্জের একটি মেস থেকে রিয়াজকে ও পরে আমতলী এলাকার একটি কলোনী থেকে ছোটনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানায়, রিকশাচালক রিয়াজের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগরে। সে ফেনী দেয়ানগঞ্জে বাবুল মিয়ার কলোনীতে থাকে।

সেলুন কর্মচারী ছোটন ফেনী পৌর এলাকার ১২নং ওয়ার্ডের হাজারী রোডের একটি সেলুনে কাজ করে। সে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানার ধর্মপুর গ্রামের সমীর চন্দ্র শীলের ছেলে।

ফেনী মডেল থানার ওসি তদন্ত ওমর হায়দার সোমবার রাতে সাংবাদিকদের জানান, ওই তরুণীর মেডিকেল পরীক্ষা রাতে সম্পন্ন হয়েছে। তাকে হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

রাশেদুল হাসান/এমআরএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]