সরকারি অফিসের ২০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও পিয়ন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নড়াইল
প্রকাশিত: ০৫:১৩ পিএম, ০৪ নভেম্বর ২০২০

নড়াইল সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ১৯ লাখ ৭৪ হাজার ৪৪০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। অফিসের পিয়ন মো. তরিকুল ইসলাম সোনালী ব্যাংক নড়াইল শাখা থেকে ওসব টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছেন।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) বিকেলে এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা করেছেন সাব-রেজিস্ট্রার মো. শাহজাহান মোল্লা। অফিসের পিয়ন মো. তরিকুল ইসলামকে মামলার আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, সোনালী ব্যাংক নড়াইল শাখায় সদর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ২৫০৭২০২০০০৮৩০ নম্বরের একটি সঞ্চয়ী হিসাব আছে।

হিসাব নম্বরটি সাব-রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরে পরিচালিত হয়। ওই হিসাব থেকে ১ অক্টোবর ৯ লাখ ৫২ হাজার ২৪০ টাকা ও ২৯ অক্টোবর ১০ লাখ ২২ হাজার ২০০ টাকা তুলে নেয়া হয়।

তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ওই হিসাব নম্বর থেকে ১৯ লাখ ৭৪ হাজার ৪৪০ টাকা তুলা নেয়া হয়েছে। ব্যাংকের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বোঝা যায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়ন মো. তরিকুল ইসলাম টাকা আত্মসাতে জড়িত। তিনি ওসব টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছেন।

সোমবার বিকেলে জেলা রেজিস্ট্রার ও অফিসের কর্মকর্তাদের সামনে তরিকুল টাকা তুলে নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এরপর তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

জেলা রেজিস্ট্রার মো. আব্দুর রহিম বলেন, তরিকুল মঙ্গলবার অফিস করেননি। তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে থানায় মামলা করা হয়েছে। তরিকুল ইসলামের মুঠোফোনে বারবার কল দিয়েও বন্ধ পাওয়া গেছে।

সোনালী ব্যাংক নড়াইল শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবু সেলিম বলেন, স্বাক্ষর মিলিয়ে দেখা গেছে দুই চেকের স্বাক্ষরই সাব-রেজিস্ট্রারের। আমার কাছে তিনি স্বীকারও করেছেন- এটি তার স্বাক্ষর।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাব-রেজিস্ট্রার মো. শাহজাহান মোল্লা বলেন, এ ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি নই।

সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকান্ত সাহা বলেন, এটি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তালিকাভুক্ত অপরাধ। তাই থানায় মামলার এজাহারটি গ্রহণ করে দুদকে পাঠানো হয়েছে।

হাফিজুল নিলু/এএম/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]