‘অস্তিত্বহীন ব্রিজ’ সংস্কারে ৯৬ কোটি টাকার টেন্ডার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বরগুনা
প্রকাশিত: ১১:৫৪ এএম, ২৯ জানুয়ারি ২০২১

‘ব্রিজই ছিল না, তবুও সেসব ব্রিজ সংস্কারের জন্য বাজেট করা হয় ৯৬ কোটি টাকা। বরগুনা জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) ‘আয়রণ ব্রিজ সংস্কার’ প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এ কাজ করা হয়েছে’ বলে অভিযোগ করেছেন ঠিকাদাররা। বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ২টার দিকে বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়নে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এ অভিযোগ করেন।

ঠিকাদারদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঠিকাদার গাজী ফারুক আহম্মেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঠিকাদার গাজী সোহেল, জিএম হাসান, মামুন হাওলাদার, মোয়াজ্জেম খান ও মিরাজ।

গাজী ফারুক আহম্মেদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘বরগুনা এলজিইডির কতিপয় অসাধু ঠিকাদার বাদল খান, শহিদ খান, নিজাম তালুকদার ও আলমাস খান আমতলী উপজেলায় ভুয়া আয়রণ ব্রিজ দেখিয়ে তার সংস্কারের জন্য ৯৬ কোটি টাকার টেন্ডার তৈরি করে। সেটি ঢাকা আইবিআরপি প্রকল্পের কার্যালয়ে বরগুনা থেকে পাঠানো হয়। অথচ আমতলীতে ওই সব ব্রীজের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘ওই প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন পরিচালক আবদুল হাই, নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হুদা, আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী আতিয়ার রহমান, আমতলীর উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম, হিসাব রক্ষক আনছার আলী। ওই প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী আহম্মেদ আলী এই জাতীয় ভুয়া প্রকল্প সৃষ্টি করে শত কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন। তার মতো একজন ‘দুর্নীতিবাজ অফিসার’ প্রকল্প পরিচালক হলে গোটা জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ঠিকাদার নিজাম উদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘ভুয়া প্রকল্পের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। আমার লাইসেন্সে ভুয়া প্রকল্পে কয়েকজন ঠিকাদার টেন্ডারে অংশগ্রহণ করেছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যেমে খবর প্রকাশ হলে সেসব প্রকল্প সরকার বাতিল করে দেয়।’

অভিযুক্ত প্রকৌশলী আহম্মেদ আলী বলেন, ‘আমি এ ব্যাপারে কিছু জানি না। আমি খুব ব্যস্ত আছি। আপনাদের সাথে পরে কথা বলব।’

এমএইচআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।