ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় কাউন্সিলর আলমগীর কারাগারে
কুমিল্লায় চাঞ্চল্যকর ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও সিটি করপোরেশনের ২৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলমগীর হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মামলার প্রধান আসামি কাউন্সিলর আলমগীর কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক মো. আতাবুল্লাহ জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কুমিল্লা আইনজীবী সমিতি সভাপতি ও বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল মোমেন ফেরদৌস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. জহিরুল ইসলাম সেলিম এবং সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আবদুল আলিম।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত ১০ জুলাই দুপুর ২টার দিকে মসজিদ থেকে টেনে-হেঁচড়ে বের করে শত শত মানুষের সামনে কাউন্সিলর আলমগীর হোসেন ও ভাইয়েরা মিলে ব্যবসায়ী আক্তার হোসেনকে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় আরও ছয়জন আহত হয়। ঘটনার পরদিন নিহতের স্ত্রী রেখা বেগম বাদী হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলাটি করেন। মামলায় আলমগীর হোসেনকে প্রধান করে ১০ জনকে আসামি করা হয়।
কাউন্সিলর আলমগীর হোসেন কুমিল্লা মহানগর যুবলীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। আক্তার হোসেন হত্যা ঘটনার পর আলমগীরকে যুবলীগের ওই পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। মামলার পর আলমগীর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। এরমধ্যে তিনি ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হাইকোর্টের জামিনে ছিলেন। বৃহস্পতিবার কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে। মামলায় বাকি আট আসামি হাইকোর্টের স্থায়ী জামিনে রয়েছেন। তবে মামলার ৯নং আসামি কাউন্সিলর আলমগীরের ভাতিজা জোবায়ে পালাতক রয়েছেন।
নিহতের ছোট ভাই যুবলীগ নেতা শাহ জালাল আলাল জানান, ঘটনার প্রায় সাত মাস পার হলেও পুলিশ চার্জশিট দেয়নি। তাই ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে চিন্তায় রয়েছি।
মো. কামাল উদ্দিন/এএইচ/এমকেএইচ