জ্বালাও-পোড়াওয়ের দিন শেষ, উন্নয়নের বাংলাদেশ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মৌলভীবাজার
প্রকাশিত: ০২:৩৪ পিএম, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, এখন জ্বালাও-পোড়াওয়ের দিন শেষ, উন্নয়নের বাংলাদেশ। কিছু লোক মনে-প্রাণে বাংলাদেশকে মেনে নেয় না। তারা দেশের ভাষা মেনে নেয় না।

শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে মৌলভীবাজারে কোদালীছড়া উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এম এ মান্নান বলেন, ব্রিজ-কালভার্টের উন্নয়ন করলে হবে না। শত্রুদের চিহ্নিত করতে হবে। গণতান্ত্রিক সরকার স্বৈরতান্ত্রিক সরকার নয়। গায়ের জোরে কিছু করা যায় না। গায়ের জোরে কাজ করে স্বৈরশাসক। এই সরকার আপনাদের সরকার।

তিনি আরও বলেন, সরকার মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, ১০ টাকায় চাল, বিনামূল্যে চাল ও ঋণ সুবিধা দিয়েছে। দরিদ্রের ম্যাপ আছে, বিদ্যুতের ম্যাপ আছে, স্কুলের ম্যাপ আছে। প্রত্যেক জেলায় পর্যায়ক্রমে যারা পিছিয়ে আছে তাদেরকে উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। কোনো প্রকল্প নিলে সাধারণ মানুষের উপকার হয় কি না সেটা প্রধানমন্ত্রীকে বোঝাতে হয়।

Mannan-3.jpg

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দেশে বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে। উন্নয়ন স্বপ্ন নয় বাস্তবে হবে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করা হবে। এবং সড়কটি হবে ইউরোপের মতো।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের কয়েকটি জেলা উঁচু, সেগুলোতে পানির একটু সমস্যা হয়। আমরা সবাই মিলে কাজ করতে চাই। আমাদের কাছে মনে হয় সকল সমস্যা একদিনেই সমাধান করে দিই। কিন্তু কাজ শেষ করার অপেক্ষা করতে হবে। আগামী ৫ বছর কী কাজ হবে সেটার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পরিকল্পনা ব্যতীত কোনো কাজ হয় না।

মৌলভীবাজারের প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা সায়রা মহসীন ও প্রকল্প পরিচালক কাজী মিজানুর রহমান।

Mannan-3.jpg

এর আগে মৌলভীবাজার পৌরসভার আয়োজনে কম্পিউটার ট্রেনিং কোর্সের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী। পরে তিনি মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের হলরুমে সাংবাদিকদের নিয়ে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়ে প্রেসক্লাবে একটি অত্যাধুনিক ভবণ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলবেন বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

জানা গেছে, কোদালীছড়ার মোট দৈর্ঘ্য পাহাড় বর্ষিজুড়া হতে হাইল হাওর পর্যন্ত ২১.৫৮ কিলোমিটার। তার মধ্যে মৌলভীবাজার পৌরসভা এলাকায় কুদালীছড়ার দৈর্ঘ্য ৩.৯০ কিলোমিটার। এবং বর্তমানে কুদালীছড়ার উভয় পাশে টেন্ডারকৃত দৈর্ঘ্য ২.৬০ কিলোমিটার। মোট ৫টি প্রকল্পে ব্যয় হবে ২৪ কোটি ৯৫ লাখ ৮৯ হাজার ৭২৯ টাকা।

এমএসএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]