সহস্রাধিক রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিল ক্যাম্পস

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:০২ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১

প্রায় এক হাজারের বেশি রোগীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রদান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ সরবরাহ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কিডনি অ্যাওয়ারনেস মনিটরিং অ্যান্ড প্রিভেনশন সোসাইটি (ক্যাম্পস)। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রোববার টাঙ্গাইলের সখিপুর থানার হাতিবান্ধা গ্রামের তালিমঘর প্রাঙ্গণে ‘ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প’ এর মাধ্যমে অসহায় রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়।

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে টাঙ্গাইল ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের দরিদ্র গ্রামবাসীর রোগনির্ণয়ের জন্য রক্ত, প্রস্রাবসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হয় এবং রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে আগত বিশেষজ্ঞসহ ২০ জনের অধিক চিকিৎসকের মাধ্যমে দিনব্যাপী রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদানসহ বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়।

kamps3.jpg

এছাড়াও দিনব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ‘কিডনি সুস্থ রাখার উপায়’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় কিডনি বিষয়ের ওপর মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাম্পস-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. এম এ সামাদ।

এ বছরের বিশ্ব কিডনি দিবসের প্রতিপাদ্যের আলোকে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি টেকসই করতে হলে, চিকিৎসাব্যয় কমানো যায় সচেতনতার মাধ্যমে রোগ-প্রতিরোধ করে। আর সেই লক্ষ্যে জাতীয়ভাবে সফল হতে হলে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কিডনি রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সরকারি-বেসরকারি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোকে সমন্বিত উদ্যোগ ও কর্মসূচি প্রণয়ন করতে হবে এবং সরকারি তত্ত্বাবধানে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

kamps3.jpg

ক্যাম্পস-এর প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি নাসরিন বেগম স্বাস্থ্য সচেতনতা, সুষম খাবার ও সুস্থ জীবনধারা চর্চার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন। ক্যাম্পস নির্বাহী পরিচালক রেজওয়ান সালেহীন আয়োজনে অংশগ্রহণকারী ও চিকিৎসকদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি কিডনি বিকল রোগীদের পাশে দাঁড়িয়ে, মানবিক কাজে নিজেদের কর্মকাণ্ড নিরলসভাবে চালিয়ে যাওয়ার জন্য সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল হালিম, সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ নির্বাহী পরিচালক ডা. এ কে এম ফজলুর রহমান, এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আমিন শরীফ সুপন, আমদানি-রফতানি নিয়ন্ত্রক আওলাদ হোসেন প্রমুখ।

এইচআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]