৬ মাস পর কবর থেকে তন্নীর মরদেহ উঠিয়ে ময়নাতদন্ত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নড়াইল
প্রকাশিত: ০৭:৩২ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

নড়াইল সদর থানার জদুনাথপুর গ্রামের হানি মোস্তারি তন্নীর (২০) মরদেহ ছয় মাস পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিভিন্ন অংশের নমুনা সংগ্রহ শেষে মরদেহ আবার দাফন করা হয়।

পারিবারিক ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, লোহাগড়া উপজেলার মাকড়াইল গ্রামের তবিবার রহমানের তুরস্ক প্রবাসী ছেলে ফরিদ রহমানের (৩২) সঙ্গে নড়াইল সদর উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউপির জদুনাথপুর গ্রামের জালাল মোল্যার মেয়ে উম্মে হানি মোস্তারি তন্নীর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ে হয়। বিয়ের প্রায় এক বছর পর তন্নীর স্বামী দেশে ফিরে আসেন এবং তাদের সংসারে কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহণ করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৮ আগস্ট তারিখে তন্নী তার শ্বশুর বাড়ি মাকড়াইলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। উভয় পরিবারের সম্মতিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তন্নীর মরদেহ তার বাবার বাড়ি জদুনাথাপুর গ্রামের কবর স্থানে দাফন করা হয়।

এ ঘটনার প্রায় চার মাস পর তন্নীর বড় ভাই জানতে পারেন, তার বোন তন্নীকে শ্বশুর বাড়ির পক্ষের লোকজন নির্যাতন করে হত্যা করেছে। এরপর তন্নীর বড় ভাই ফরিদ উদ্দিন বাদী হয়ে চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি নড়াইলের বিজ্ঞ আমলি আদালতে তন্নীর স্বামী ফরিদসহ পাঁচজনকে আসামি করে নালিশি আবেদন করেন।

আদালত ঘটনা আমলে নিয়ে লোহাগড়া থানায় একটি এফআইআর করার আদেশ দেন। আদেশের পর মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে নড়াইল জেলার এক্সজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলাউদ্দিন ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মাহামুদুর রহমানের উপস্থিতিতে কবর খুড়ে তন্নীর মরদেহের বিভিন্ন অংশের নমুনা সংগ্রহ করে পুনরায় দাফন সম্পন্ন করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মাহামুদুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত স্বামী ফরিদকে আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

হাফিজুল নিলু/এসজে/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]