টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক কারবারি নিহত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ১২:২৬ পিএম, ০৯ মার্চ ২০২১
ফাইল ছবি

টেকনাফে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) জওয়ানদের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। এসময় বিজিবির দুই সদস্য আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা, দেশীয় অস্ত্র ও কিরিচ উদ্ধার করেছে বিজিবি।

মঙ্গলবার (৯ মার্চ) ভোরে টেকনাফের নাজিরপাড়ার নাফ নদীর তীরে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

দুপুরে টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, মঙ্গলবার ভোরে নাজিরপাড়া আলুগোলার প্রজেক্ট পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমার থেকে মাদকের চালান আসার সংবাদ পেয়ে বিওপির বিশেষ একটি টহল দল ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর ৪-৫ জন লোক কাঠের নৌকা নিয়ে নাফ নদী সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন। বিজিবি জওয়ানরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে তারা এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করেন। এতে বিজিবির নায়েক মাজহারুল ইসলাম (৩৬), সিপাহী রোমন মিয়া (১৯) আহত হন। বিজিবিও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। কিছুক্ষণ পর মাদক কারবারি দলের তিন সদস্য নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ওপারে পালিয়ে গেলে গোলাগুলি বন্ধ হয়। এরপর ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ৩ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি দেশীয় অস্ত্র, একটি ধারালো কিরিচসহ অজ্ঞাত দুজনের (একজনের বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর, অন্যজনের ২০ বছর) গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়া যায়।

গুলিবিদ্ধ অজ্ঞাত ওই দুই মাদক কারবারি ও আহত দুই বিজিবি সদস্যকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে আহত বিজিবি সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় এবং গুলিবিদ্ধদের মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান আরও জানান, নিহতদের ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, নিহতরা টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মৌলভী পাড়ার মো. বাবুলের ছেলে মো. ইউনুস আলম (৩৫) এবং আবুল কালামের ছেলে মো. রুবেল (২০)।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, বিজিবি থেকে দেয়া মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতরা সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে প্রচার পাচ্ছে। এরপরও পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।

সায়ীদ আলমগীর/এসএমএম/এসআর/এমকেএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]