পাটুরিয়া ফেরি-লঞ্চঘাটে বেড়েছে যাত্রীর চাপ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মানিকগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৬:১১ পিএম, ১৮ মার্চ ২০২৬

সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাটুরিয়া ফেরি ও লঞ্চঘাটে বেড়েছে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। তবে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই পারাপার হচ্ছে ঘরমুখো মানুষ।

বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকে পাটুরিয়া ফেরি ও লঞ্চঘাটে দেখা যায়, সকালের দিকে ঘাট এলাকায় তেমন চাপ না থাকলেও দুপুরের পর থেকে বাড়তে থাকে যানবাহন ও যাত্রীর চাপ।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) সূত্র জানায়, ঈদযাত্রায় দুর্ভোগ কমাতে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১৭টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বুধবার যাত্রীর চাপ বাড়ায় ২২টি লঞ্চ চলাচল করছে। জরুরি পণ্য, শিশুখাদ্য ও পচনশীল দ্রব্যবাহী যানবাহন ছাড়া অন্যান্য পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখায় ঘাট এলাকায় যানজট তৈরি হচ্ছে না।

ইমরান হোসেন ঢাকার উত্তরায় থাকেন। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া যাবেন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘এবারের ঈদযাত্রায় কোনো ভোগান্তি নেই। এখন পর্যন্ত সব ঠিক আছে। গাড়ির ভাড়াও তেমন বেশি নেয়নি। ৫০ টাকা বেশি নিচ্ছে, কারণ তারা যাওয়ার সময় ফাঁকা যাবে। আমার মনে হয় এটা বেশি নয়। ঘাটের অবস্থাও বেশ ভালো। আসলাম, লঞ্চ ও ফেরিও ঘাটে আছে। আমি ফেরিতে পার হবো।’

পাটুরিয়া ফেরি-লঞ্চঘাটে বেড়েছে যাত্রীর চাপ

আজিম হোসেন যাবেন যশোরে, গ্রামের বাড়িতে। তিনি সাভারে থাকেন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি সাভার থেকে আসলাম, রাস্তায় তেমন যানজট নেই। ভাড়াও তেমন বেশি নেয়নি। তারা বলছে সামনে ঈদের সময় যেতে হবে খালি। ঘাটও ফাঁকা, কোনো সমস্যা হয়নি।’

কুষ্টিয়াগামী সেলিম রেজা জাগো নিউজকে বলেন, ‘নিরাপদে এসেছি, কোনো জ্যাম পাইনি। কোনো ভোগান্তির শিকার হইনি। ঘাটে এসে দেখি কোনো জ্যাম নেই, ফেরি আছে। আশা করি ভালো মতোই যেতে পারবো।’

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক সালাম হোসেন জানান, ‘এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি। ঘাট এলাকায় কোনো যানবাহনের জটলা তৈরি হয়নি। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না। যে পরিমাণ যানবাহন ও যাত্রী আসছে, এর চাইতে দ্বিগুণ যানবাহন ও যাত্রী এলেও আমাদের কোনো সমস্যা হবে না।’

মো. সজল আলী/আরএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।