লালমনিরহাটে জুয়েল হত্যা : তৎকালীন ইউএনওর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারীতে গুজব ছড়িয়ে শহীদুন্নবী জুয়েল নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কামরুন নাহারের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত করছে জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) দুপুরে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে ২১ মার্চ জেলা প্রশাসক আবু জাফর স্বাক্ষরিত এক পত্রে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সংশ্লিষ্ট ১৩ জনকে ওই তদন্তে উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করতে অনুরোধ জানানো হয়।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফরের নেতৃত্বে চলমান তদন্তে আরও উপস্থিত ছিলেন পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাম কৃষ্ণ বর্মণ ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন।
২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী বাজারের বাসকল এলাকায় শহীদুন্নবী জুয়েলকে পিটিয়ে হত্যার পর তার মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়। ওই সময় দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ ওঠে তৎকালীন পাটগ্রাম ইউএনও কামরুন নাহারের বিরুদ্ধে ।
পরবর্তীতে ওই ঘটনায় পাটগ্রাম থানায় হত্যাসহ পৃথক তিনটি মামলা দায়ের হয়। এসব মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ৫২ জনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা লালমনিরহাট ডিবি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর ফারুক।
রবিউল হাসান/এসজে/জেআইএম