পটুয়াখালীতে মারধরে সবজি বিক্রেতার মৃত্যু: সেই যুবদল নেতা বহিষ্কার

উপজেলা প্রতিনিধি
উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
প্রকাশিত: ১০:৩১ এএম, ০৫ মার্চ ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনায় মো. ইদ্রিস নামের এক সবজি বিক্রেতার মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জহিরুল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারে যুবদলের কার্যালয়ে তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত ইদ্রিস ঢাকায় সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে তিনি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরুচুরি ও অন্যান্য অপকর্মের অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্য করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জহিরুল ইসলাম তাকে মারধর করেন বলে পরিবারের দাবি।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, সম্প্রতি সালিশের নামে তাকে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে তার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ঘটনার প্রেক্ষিতে দলীয় নীতি-আদর্শ ও সংহতির পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের দায়ে কেন্দ্রীয় কমিটি এ সিদ্ধান্ত নেয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত ওই নেতার কোনো ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না। একইসঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির এ সিদ্ধান্তে সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়ার স্বাক্ষরে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।