কিশোরগঞ্জে আ.লীগ অফিসে হামলা-ভাঙচুর

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৪:১৪ পিএম, ২৮ মার্চ ২০২১

হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালে কিশোরগঞ্জে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৮ মার্চ) সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে ব্যাপক তাণ্ডব চালায় হেফাজতকর্মীরা।

একপর্যায়ে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে তারা। পরে পুলিশ টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গোটা শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।

jagonews24

এদিকে বেলা ১১টার দিকে শহরের যান চলাচল বন্ধ করে দেন হরতালকারীরা। রাস্তার মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়ে হরতাল সমর্থকরা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায়। দুপুর ১২টার দিকে শত শত হরতাল সমর্থক লাঠিসোটা নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা চালায়। তারা আধঘণ্টাব্যাপী আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তাণ্ডব চালায়। এ সময় চেয়ার-টেবিলসহ অন্যান্য আসবাবপত্রসহ ভাঙচুর চালায়। তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিসহ জাতীয় নেতাদের ছবিতে অগ্নিসংযোগ করে।

পরে শহরের গৌরাঙ্গবাজার এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে হরতালকারীরা। পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে দফায় দফায় সংঘর্ষে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

jagonews24

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ বিপিএম বলেন, ‘যে কোনো পরিস্থিতি পুলিশ কঠোর হাতে দমন করবে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ অফিসে যারা হামলা করেছে তাদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

জেলা ইমাম ও উলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা শফিকুর রহমান জালালাবাদী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ অফিসে হামলার ঘটনা কারা ঘটিয়েছে তা জানেন না।’

নূর মোহাম্মদ/আরএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।