কুষ্টিয়ায় বৃষ্টির জন্য ইস্তেখারার নামাজ আদায়

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুষ্টিয়া
প্রকাশিত: ০৪:৫৩ পিএম, ২১ এপ্রিল ২০২১

কুষ্টিয়ায় বৃষ্টির জন্য দোয়া চেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নামাজ (সালাতুল ইস্তেখারা) আদায় করেছেন কুষ্টিয়া ও পাবনা জেলার দুই ইউনিয়নের কয়েকশ মানুষ। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দেশে চলমান ‘কঠোর লকডাউনের’ মধ্যেই বুধবার (২১ এপ্রিল) সকালে শতশত মানুষ চর মহেন্দ্রপুর স্কুলের পাশে মাঠে জড়ো হয়ে এ নামাজ আদায় করেন।

কুমারখালীর জগন্নাথপুর এবং পার্শ্ববর্তী পাবনা জেলার চর ভবানীপুর গ্রামের মানুষ এ নামাজে অংশ নেন। নামাজ শেষে অনাবৃষ্টি থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। আগের মতোই নামাজ আদায়কালীন মানা হয়নি কোনো সামাজিক দূরত্ব কিংবা স্বাস্থ্যবিধি। পাশাপাশি বসেই তারা নামাজ পড়েন।

jagonews24

বৃষ্টির জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন চর জগন্নাথপুর গ্রামের স্থানীয় জামে মসজিদের ইমাম ইদ্রিস আলী। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় মানুষ পানির জন্য খুব বিপদে আছে। বৃষ্টি বা পানির জন্য আল্লাহ সালাতের মাধ্যমে চাইতে বলেছেন। আর এই চাওয়াকে আরবিতে সালাতুল ইস্তেখারা বলা হয় অর্থাৎ পানির জন্য দোয়া করা। এ রকম পরিস্থিতে প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহপাকের দরবারে পানি প্রার্থনা করে দোয়া করা সুন্নত। তাই এই নামাজের আয়োজন করা।

jagonews24

হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বৃষ্টি প্রার্থনার সময় বলতেন, ‘হে আল্লাহ, তুমি তোমার বান্দাকে এবং তোমার পশুদের পানি দান করো আর তাদের প্রতি তোমার রহমত বর্ষণ করো এবং তোমার মৃত জমিনকে জীবিত করো।’

jagonews24

প্রসঙ্গত, এর আগে সোমবার (১৯ এপ্রিল) একই স্থানে ওই এলাকার মানুষ প্রথমবারের বৃষ্টির জন্য সালাতুল ইস্তেখারা নামাজ আদায় করেছিলেন।

আল-মামুন সাগর/এসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]