‘কাদের মির্জার পাতানো ফাঁদে পা দেবে না উপজেলা আওয়ামী লীগ’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ০৯:৩৯ পিএম, ২১ এপ্রিল ২০২১

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল বলেছেন, আবদুল কাদের মির্জা বুঝতে পারছেন তার রাজনৈতিক অবসান হচ্ছে। তাই তিনি মরণ কামড় দিয়েছেন। তিনি ফাঁদ পেতে আবারও আগের অবস্থানে আসতে চাচ্ছেন। তার এসব পাতানো ফাঁদে পা দেবে না উপজেলা আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাই পরিচয় ছাড়া বসুরহাটের মেয়র আবদুল কাদের মির্জা আওয়ামী লীগের কেউ না। তার সাথে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সমঝোতার প্রশ্নই ওঠে না।

কাদের মির্জার ফেসবুক লাইভের ১১ দফা প্রসঙ্গে এসব কথা বলেছেন আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান বাদল।

তিনি বুধবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে জাগো নিউজকে জানান, যে ব্যক্তি অন্যের মাসুম বাচ্চাকে রেহাই দেবে না বলে ঘোষণা দেন। যিনি বলেন রক্তের হোলিখেলা হবে তিনি তো রাজনীতিবিদ হতে পারেন না। তাছাড়া কাদের মির্জা তো আওয়ামী লীগের কেউ না, সুতরাং তার কোনো সমঝোতার প্রস্তাবে আওয়ামী লীগের কিছু যায় আসে না।

মিজানুর রহমান বাদল বলেন, কাদের মির্জা অন্যকে সম্মান দিতে জানেন না। তিনি নিজে সম্মান আশা করেন কিভাবে। মাননীয় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে তিনি যে অকথ্য ভাষায় কথা বলেন। তাতে তিনি (কাদের মির্জা) সুস্থ মস্তিষ্কে আছেন বলে আমি মনে করি না।

তিনি বলেন, কোম্পানীগঞ্জের শান্তি ফিরিয়ে আনতে আগে কাদের মির্জার পাগলামি থামাতে হবে। উপজেলা আওয়ামী লীগ কোনো ধরণের সহিংসতার পথে নাই। কাদের মির্জা প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক চললে শান্তি এমনিতেই চলে আসবে। তিনি যেহেতু আওয়ামী লীগ ত্যাগ করেছেন, এ দল নিয়ে তাকে না ভাবলেও চলবে।

বাদল বলেন, কাদের মির্জা পৌরসভা ভাবনকে যেভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অফিস, সন্ত্রাসী অস্ত্রধারীদের আস্তানা ও নিজের বাসা-বাড়ি বানিয়েছেন তা তিনি কখনোই করতে পারেন না। পৌরবাসীর স্বার্থে তা বন্ধ করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতি অনুরোধও জানান।

প্রসঙ্গত, বুধবার (২১ এপ্রিল) ভোরে কাদের মির্জা তার সহযোগী স্বপন মাহমুদের ফেসবুকে লাইভে এসে কোম্পানীগঞ্জে শান্তির জন্য ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেন।

আরএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]